প্রিন্ট এর তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
নীলফামারী ডিমলা উপজেলার একটি মসজিদে মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরাদাহ উদ্ধার
||
নীলফামারী ডিমলা উপজেলার একটি মসজিদে মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরাদাহ উদ্ধারমোঃ ইবনে আলী সরকার স্টাফ রিপোর্টার নিলফামারী জেলা। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার একটি মসজিদ থেকে মুয়াজ্জিন আব্দুল মালেকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর থেকে মৃত্যুর কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা চলছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের কাকড়া চৌপতি জামে মসজিদ থেকে মুয়াজ্জিন আব্দুল মালেকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত আলী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম শুরু করে।আব্দুল মালেক উপজেলার মোনাকাশা বাইতুন নূর জামে মসজিদের সাবেক মুয়াজ্জিন এবং ডাঙ্গাপাড়া জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি একজন ধর্মপ্রাণ, সৎ ও ভদ্র মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ঘটনাটি আত্মহত্যা হতে পারে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাস্থলের কিছু বিষয় নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। বিশেষ করে মৃত্যুর সময়কার পরিস্থিতি, ঘটনাস্থলের আলামত, ভিডিও ফুটেজে দেখা কিছু বিষয় এবং দড়ি ও টেবিল ব্যবহারের বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে নানা প্রশ্ন রয়েছে। এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।এলাকাবাসীর মতে, মসজিদের মতো একটি পবিত্র স্থানে এমন ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও উদ্বেগজনক। তাই ঘটনাটিকে শুধু প্রাথমিক ধারণার ভিত্তিতে মূল্যায়ন না করে, আলামত, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় ফরেনসিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন।তারা আরও বলেন, যদি এটি আত্মহত্যা হয়ে থাকে, তবে এর পেছনের কারণ স্পষ্ট হওয়া উচিত। আর যদি অন্য কোনো অপরাধমূলক ঘটনার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাহলে দায়ীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত