প্রিন্ট এর তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাটে উন্নয়নকাজে তদারকি জোরদার, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর সরেজমিন পরিদর্শন
||
উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাটে উন্নয়নকাজে তদারকি জোরদার, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর সরেজমিন পরিদর্শনমোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া | স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রামের উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাট উপজেলায় চলমান বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী। সোমবার দিনব্যাপী এ পরিদর্শনে তিনি গ্রামীণ সড়ক, সেতু, কালভার্ট ও বাজার সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজ সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলী, উপসহকারী প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন নির্বাহী প্রকৌশলী। তিনি নির্মাণকাজের অগ্রগতি, ব্যবহৃত উপকরণের মান এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সূচি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।এলজিইডি সূত্র জানায়, সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো নির্ধারিত নকশা ও কারিগরি মানদণ্ড অনুসরণ করে সম্পন্ন হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতেই এ মাঠপর্যায়ের তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার বা কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম হচ্ছে কি না, তাও যাচাই করা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, উলিপুর, চিলমারী ও রাজারহাট উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থা জেলার অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। এসব সড়ক ব্যবহার করে প্রতিদিন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা যাতায়াত করেন। বিশেষ করে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষিপণ্য পরিবহনে সড়ক ও সেতুর গুরুত্ব অপরিসীম।পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, “জনগণের করের টাকায় বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখতে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন অব্যাহত রয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজ বরদাশত করা হবে না।”তিনি আরও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়মিত তদারকি থাকলে কাজের মান বজায় থাকে এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়। এ কারণে মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।এদিকে স্থানীয়দের দাবি, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নের ফলে কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হয়েছে এবং স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণেও ভোগান্তি কমেছে। তবে সীমান্ত ও দুর্গম এলাকার মানুষের জন্য আরও নতুন সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে বলে তারা মত দেন।সংশ্লিষ্টদের অভিমত, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি ও কঠোর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও গুণগত মান আরও সুসংহত হবে। এতে সরকারের উন্নয়নের সুফল দ্রুত সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত