প্রিন্ট এর তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।
||
অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। সাগর শিকদার (৩২) ২। অমল কীর্তনিয়া অভি (৩০) ৩। মিথুন সরকার (২৪) ৪। সুনীল মৃধা (২৫) ৫। কাজী উসরাত আঞ্জুমান মেঘা (২০) ৬। মারুফা (২১) ও ৭। মোঃ রাকিবুল হাসান (৩২)।ডিবি সূত্রে জানা যায়, ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি টিম সাইবার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন শনাক্ত করে। এসব ওয়েবসাইট পর্যালোচনায় দেখা যায়, অনলাইন জুয়া কার্যক্রম পরিচালনা ও লেনদেনের জন্য বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস)-এর এজেন্ট, মার্চেন্ট ও পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। পরবর্তীতে অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন এমএফএস অ্যাকাউন্টের তথ্য বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে শনাক্ত করা হয়।ডিবি সূত্রে আরও জানা যায়, পরবর্তীতে গোয়েন্দা তথ্যের ও প্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ০১:০০ ঘটিকায় যশোর কোতোয়ালি থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাত আনুমানিক ০৪:০০ ঘটিকায় মাদারীপুরের কালকিনি থেকে চক্রের মূলহোতা সাগর শিকদারকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ৪৮৪টি এমএফএস (বিকাশ/নগদ) অ্যাকাউন্ট-সংবলিত সিমকার্ড, ৪৬টি স্মার্টফোন, ১টি বাটন ফোন, ৮টি ল্যাপটপ, ২৭টি ব্যাংক কার্ড, ৩টি ডায়েরি এবং ২টি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।প্রাথমিকভাবে জানা যায়, অনলাইন জুয়ার সাইট ও অ্যাপ পরিচালনার জন্য এমএফএস ওয়ালেট সরবরাহ করে লেনদেন সচল রাখা ছিল তাদের প্রধান কাজ।গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত