প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গোবিন্দগঞ্জের বাজুনিয়পাড়ায় সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট
||
গোবিন্দগঞ্জের বাজুনিয়পাড়ায় সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটগাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডলঃগাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের বাজুনিয়াপাড়া গ্রামে সৌদি প্রবাসী লিটন মন্ডলের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা বাড়ির বারান্দার গ্রিল কেটে ও দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে প্রবাসীর স্ত্রী তহমিনা বেগমকে হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, ডাকাতদলের সদস্যরা প্রথমে বাড়ির বারান্দার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে একটি কক্ষের দরজা ভেঙে প্রবাসী লিটন মন্ডলের স্ত্রী তহমিনা বেগমকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে আলমারির চাবি নিয়ে আলমারি খুলে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার বের করতে থাকে ডাকাতরা।তহমিনা বেগম জানান, ঘটনার আগের দিন সংসারের প্রয়োজনীয় কাজে তিনি গোবিন্দগঞ্জের একটি ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি টাকা উত্তোলন করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বিষয়টি জানার পরই পরিকল্পিতভাবে ডাকাতির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।ডাকাতরা লুটপাট চালানোর সময় তহমিনা বেগম চিৎকার শুরু করলে পাশের কক্ষে থাকা তার শাশুড়ি আয়শা বেওয়া ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। তিনি ডাকাতদের দেখতে পান। এ সময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলেও ডাকাতরা দ্রুত প্রাচীর টপকে পালিয়ে যায়।পরিবারের দাবি, ডাকাতরা বাড়ি থেকে প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় পরিবারটির মধ্যে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।তহমিনা বেগমের অভিযোগ, ডাকাতদলের সদস্যরা বহিরাগত নয়; স্থানীয় দুর্বৃত্তদের একটি সংঘবদ্ধ দল এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা ও জড়িতদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।এ ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে একটি এজাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের নিয়মিত টহল টিমের উপস্থিতি বাড়ানো, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বসতিপূর্ণ এলাকায় রাত্রীকালীন নজরদারি জোরদার এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে লুট হওয়া টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধারে দ্রুত অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত