ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
ঢাকা    শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
GTV

নওগাঁ সহ সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের আজ ষষ্ঠী পূঁজা শুরু ৮৩৬ মণ্ডপে বাজবে ঢাক ও কাঁশি


প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

নওগাঁ সহ সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের আজ ষষ্ঠী পূঁজা শুরু ৮৩৬ মণ্ডপে বাজবে ঢাক ও কাঁশি

নওগাঁ সহ সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের আজ ষষ্ঠী পূঁজা শুরু ৮৩৬ মণ্ডপে বাজবে ঢাক ও কাঁশি

উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁঃ নওগাঁ সহ সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের আজ শুরু হতে যাচ্ছে  সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।১৬ অক্টোবর শুক্রবার  ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে বড় এই উৎসবের আমেজ। এবার নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলায়  ৮৩৬টি মণ্ডপে বাজবে শঙ্খ, শোনা যাবে ঢাক-ঢোল, কাঁশি ও বাঁশির শব্দ। তাই দেবী দুর্গাকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।এবার সপ্তমী দুই দিন হওয়ায় ১৬ অক্টোবর (শুক্রবার) থেকে ২১ অক্টোবর (বুধবার) ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। কয়েক ঘণ্টা পরেই এবার দেবী দুর্গার মর্ত্যলোকে আগমন ঘটবে (ঘোড়ায়) চড়ে, আর গমন করবেন নৌকায়। তাই মাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। আর শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনের আশায় আছেন উত্তরের এই জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এজন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা গড়ার কারিগররা।এবার এ জেলায় ৮৩৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে চলছে। এর মধ্যে নওগাঁ সদর উপজেলায় ৭০টি এবং পৌরসভায় ৫৮টি, মহাদেবপুর উপজেলায় ১৬০টি, মান্দায় ১২৬টি, বদলগাছীতে ১০৮টি, পত্নীতলায় ৮৪টি, নিয়ামতপুরে ৫৫টি, আত্রাইয়ে ৫৪টি, রানীনগরে ৫০টি, ধামইরহাটে ৩২টি, সাপাহারে ২০টি এবং পোরশা উপজেলায় ১৯টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।গত বছর ৮০১টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এ জেলায়। তার আগের বছর ৮১৯টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার এ বছর জেলায় বাড়তি ৩৫টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।জেলার একাধিক উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, কাদা-মাটি, বাঁশ, খড়, সুতলি দিয়ে শৈল্পিক ছোঁয়ায় তিলতিল করে তৈরি করেছে দেবী দুর্গার প্রতিমা। রাত-দিন শক্ত মাটি নরম করে দেবী দুর্গার সঙ্গে নিপুণ হাতে গড়ে তুলেছে কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী, সরস্বতী আর অসুরের প্রতিমা। প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ। এখন দেবী দুর্গাকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে রংতুলির আঁচড়ে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা। স্থানীয় শিল্পী ছাড়াও বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শিল্পীরা এখানে রংতুলিতে জানান দিচ্ছেন তাঁদের হাতের নৈপুণ্য।অন্যদিকে প্রতিমার পাশাপাশি বাদ্যযন্ত্র ঠিক ও তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করছে ঢাক-ঢোল, কাঁশি ও বাঁশির কারিগররা। এ ছাড়া মণ্ডপগুলোতে চলছে সাজসজ্জার প্রস্তুতি।আয়োজকেরা জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তাই প্রস্তুত আছে জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা। আর শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে পূজা সম্পন্ন করতে প্রস্তুত আছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আলোকসজ্জা ও মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।সার্বজনীন এ দুর্গাপূজাকে উৎসবমুখর করতে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এ বছর সরকারি বরাদ্দে একশ কেজি চাল বৃদ্ধি করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষরা যেন ৬ দিনব্যাপী তাঁদের বৃহৎ ধর্মীয় এ উৎসব পালন করতে পারে, সে লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্ব স্ব এলাকার এমপি, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদযাপন পরিষদ, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ও বিভিন্ন মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।তবে প্রতিমা তৈরির উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি পেলেও কাঙ্ক্ষিত মূল্য পাচ্ছে না বলে জানান কারিগররা। আর্থিকভাবে লাভবান না হলেও পৈতৃক পেশা ধরে রাখতে এ কাজ করে যাচ্ছেন কারিগররা।মৃৎশিল্পীরা জানান, প্রতিমা তৈরির এ কাজ শুধু পেশা নয়, ধর্মীয় আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা থেকে করা হয়। সেই জন্য দুর্গা মাকে নিজের মায়ের মতো করেই গড়ি। তাঁরা আরও বলেন, প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম বাড়লেও ক্রেতারা প্রতিমার দাম বলছেন কম। বাধ্য হয়ে প্রতিমা বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে খুব একটা লাভের মুখ দেখছি না।নওগাঁ কালেক্টরেট পূজামণ্ডপের সভাপতি সুবল চন্দ্র মণ্ডল বলেন, সাজসজ্জাসহ সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। আমাদের এটা ৩৭তম পূজা। আগামীকাল থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। এবার সরকারি অনুদান ৬০০ কেজি চাল পাওয়া গেছে। এবং কল্যাণ ট্রাস্ট থেকেও অনুদান পাওয়া যাবে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। আশা করছি পূজা আনন্দসহ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে শেষ হবে।বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট নওগাঁ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুমার…

GTV

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


নওগাঁ সহ সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের আজ ষষ্ঠী পূঁজা শুরু ৮৩৬ মণ্ডপে বাজবে ঢাক ও কাঁশি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নওগাঁ সহ সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের আজ ষষ্ঠী পূঁজা শুরু ৮৩৬ মণ্ডপে বাজবে ঢাক ও কাঁশি

উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁঃ নওগাঁ সহ সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের আজ শুরু হতে যাচ্ছে  সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।১৬ অক্টোবর শুক্রবার  ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে বড় এই উৎসবের আমেজ। এবার নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলায়  ৮৩৬টি মণ্ডপে বাজবে শঙ্খ, শোনা যাবে ঢাক-ঢোল, কাঁশি ও বাঁশির শব্দ। তাই দেবী দুর্গাকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।এবার সপ্তমী দুই দিন হওয়ায় ১৬ অক্টোবর (শুক্রবার) থেকে ২১ অক্টোবর (বুধবার) ৬ দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। কয়েক ঘণ্টা পরেই এবার দেবী দুর্গার মর্ত্যলোকে আগমন ঘটবে (ঘোড়ায়) চড়ে, আর গমন করবেন নৌকায়। তাই মাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। আর শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনের আশায় আছেন উত্তরের এই জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। এজন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা গড়ার কারিগররা।এবার এ জেলায় ৮৩৬টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে চলছে। এর মধ্যে নওগাঁ সদর উপজেলায় ৭০টি এবং পৌরসভায় ৫৮টি, মহাদেবপুর উপজেলায় ১৬০টি, মান্দায় ১২৬টি, বদলগাছীতে ১০৮টি, পত্নীতলায় ৮৪টি, নিয়ামতপুরে ৫৫টি, আত্রাইয়ে ৫৪টি, রানীনগরে ৫০টি, ধামইরহাটে ৩২টি, সাপাহারে ২০টি এবং পোরশা উপজেলায় ১৯টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।গত বছর ৮০১টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এ জেলায়। তার আগের বছর ৮১৯টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার এ বছর জেলায় বাড়তি ৩৫টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।জেলার একাধিক উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, কাদা-মাটি, বাঁশ, খড়, সুতলি দিয়ে শৈল্পিক ছোঁয়ায় তিলতিল করে তৈরি করেছে দেবী দুর্গার প্রতিমা। রাত-দিন শক্ত মাটি নরম করে দেবী দুর্গার সঙ্গে নিপুণ হাতে গড়ে তুলেছে কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী, সরস্বতী আর অসুরের প্রতিমা। প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ। এখন দেবী দুর্গাকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে রংতুলির আঁচড়ে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা। স্থানীয় শিল্পী ছাড়াও বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শিল্পীরা এখানে রংতুলিতে জানান দিচ্ছেন তাঁদের হাতের নৈপুণ্য।অন্যদিকে প্রতিমার পাশাপাশি বাদ্যযন্ত্র ঠিক ও তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করছে ঢাক-ঢোল, কাঁশি ও বাঁশির কারিগররা। এ ছাড়া মণ্ডপগুলোতে চলছে সাজসজ্জার প্রস্তুতি।আয়োজকেরা জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তাই প্রস্তুত আছে জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা। আর শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে পূজা সম্পন্ন করতে প্রস্তুত আছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আলোকসজ্জা ও মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ বিদ্যুতের বিকল্প হিসেবে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।সার্বজনীন এ দুর্গাপূজাকে উৎসবমুখর করতে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এ বছর সরকারি বরাদ্দে একশ কেজি চাল বৃদ্ধি করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষরা যেন ৬ দিনব্যাপী তাঁদের বৃহৎ ধর্মীয় এ উৎসব পালন করতে পারে, সে লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্ব স্ব এলাকার এমপি, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদযাপন পরিষদ, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ও বিভিন্ন মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।তবে প্রতিমা তৈরির উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি পেলেও কাঙ্ক্ষিত মূল্য পাচ্ছে না বলে জানান কারিগররা। আর্থিকভাবে লাভবান না হলেও পৈতৃক পেশা ধরে রাখতে এ কাজ করে যাচ্ছেন কারিগররা।মৃৎশিল্পীরা জানান, প্রতিমা তৈরির এ কাজ শুধু পেশা নয়, ধর্মীয় আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা থেকে করা হয়। সেই জন্য দুর্গা মাকে নিজের মায়ের মতো করেই গড়ি। তাঁরা আরও বলেন, প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম বাড়লেও ক্রেতারা প্রতিমার দাম বলছেন কম। বাধ্য হয়ে প্রতিমা বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে খুব একটা লাভের মুখ দেখছি না।নওগাঁ কালেক্টরেট পূজামণ্ডপের সভাপতি সুবল চন্দ্র মণ্ডল বলেন, সাজসজ্জাসহ সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। আমাদের এটা ৩৭তম পূজা। আগামীকাল থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। এবার সরকারি অনুদান ৬০০ কেজি চাল পাওয়া গেছে। এবং কল্যাণ ট্রাস্ট থেকেও অনুদান পাওয়া যাবে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। আশা করছি পূজা আনন্দসহ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে শেষ হবে।বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট নওগাঁ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুমার…


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
নওগাঁ সহ সারাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায়ের আজ ষষ্ঠী পূঁজা শুরু ৮৩৬ মণ্ডপে বাজবে ঢাক ও কাঁশি
0:00 0:00
1.0x