ঢাকা    শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
ঢাকা    শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
GTV

বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ভারত সীমান্তে অপেক্ষা


প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ভারত সীমান্তে অপেক্ষা
বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ভারত সীমান্তে অপেক্ষা |বিবিসি

ইতালি রোমে শনিবার একসঙ্গে চার বিক্ষোভ, Circo Massimo ও Tridente এলাকায় বিশেষ সর্বোচ্চ সতর্কতায় নিরাপত্তা বাহিনী

ইতালি রোমে বহুসাংস্কৃতিক সহাবস্থানে নতুন অধ্যায় বিদেশি নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিতে রোমে স্থায়ী পরামর্শ পরিষদ গঠন, যুক্ত হয়েছে ৭ বাংলাদেশি সংগঠন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে সুন্দর ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়: নিয়ামতপুর উপজেলার ৫ নং রসুলপুরে ইউনিয়নে মণ্ডপ পরিদর্শনে বাবুল আক্তার বাবু

পঞ্চগড়-২ পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এর ইজ্জতের কসম দিয়ে আবারও চেয়ারম্যান হতে চায় নৌকার চেয়ারম্যান অজয় কুমার

আশাশুনির ১০৬ দুর্গাপূজা মন্দিরে ৬৩ টন ৬০০ কেজি চাউলের ডিও প্রদান

ভারত থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য অনেক মানুষ প্রতিদিন হাজির হচ্ছেন সাতক্ষীরা আর পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত অঞ্চলে। এ সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে উঠে এসেছে বিবিসির এক প্রতিবেদনে।

ভারত সীমান্ত থেকে সরেজমিনে করা বিবিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য হাকিমপুর সীমান্তে প্রতিদিন হাজির হচ্ছেন বহু নারী-পুরুষ, শিশু।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জয়ী হয়ে নতুন সরকারের দায়িত্ব নেয়ার কয়েকদিন পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যখন ঘোষণা দিলেন যে, ‘বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী’দের আর থাকতে দেয়া হবে না, তাদের ফেরত পাঠানো হবে, তারপরেই গত সপ্তাহখানেক ধরে প্রতিদিনই সাত সকালে ওই সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন ‘নিজের দেশে’ ফিরে যেতে চাওয়া মানুষরা।

অবশ্য তার আগে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন যে, যারা ভারতে অবৈধপথে এসেছিলেন, তারা যদি ‘স্বেচ্ছায়’ ফিরে যেতে চান তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দেয়া হবে না।

হাকিমপুরের স্থানীয় বাসিন্দা হাসানুর গাজী বলেন, ‘শুরুর দিকে দৈনিক ১০-১২ জন করে আসছিল, তারপর প্রতিদিনই বাড়ছে এই সংখ্যা। দিন তিনেক আগে থেকে সংখ্যাটা কয়েক শ’তে গিয়ে ঠেকেছে।’

সীমান্ত চৌকিতে এক দিন

হাকিমপুর এলাকাটা উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানা এলাকার অধীন। বিএসএফের চেকপোস্ট পেরিয়ে কিছুটা গেলেই তারালি গ্রাম, তার পরেই সোনাই নদী।

নদীর ওপারে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা।

হাকিমপুরের স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাফা শাওজি জানান, ‘বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্য থেকে চলে যেতে হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, তারপর থেকেই বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য মানুষজন জড়ো হচ্ছেন এখানে।’

সীমান্ত চৌকিতে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম যে প্রথমে একটি পরিত্যক্ত ঘরে অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে বাংলাদেশে চলে যাওয়ার জন্য সীমান্তে জড়ো হওয়া মানুষদের। সেখান থেকে পুলিশ কর্মীরা একেকটি পরিবারকে ডেকে এনে নথি যাচাই করছেন। দেখা হচ্ছে তাদের বাংলাদেশের পরিচয়পত্র; লিখে নেয়া হচ্ছে নাম, পরিচয়, বাংলাদেশের কোন জেলায় তার আদি বাড়ি ছিল– এসব তথ্য। তোলা হচ্ছে ছবিও।

এরপরে তাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে সীমান্ত চৌকি লাগোয়া জায়গায়।

তাদের কীভাবে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, সে ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন বা বিএসএফ আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেনি। কিন্তু সীমান্ত অঞ্চলের ভারতীয় গ্রাম হাকিমপুরের বাসিন্দারা বলেছেন, তারা সবটাই দেখছেন।

হাকিমপুরের বাসিন্দা, স্থানীয় ব্যবসায়ী হাসানুর গাজী জানান, ‘চেকপোস্টে এদের নথি যাচাই হচ্ছে, বায়োমেট্রিক হচ্ছে। তারপরে সীমান্তের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বিএসএফ। এখান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে আমোদিয়া বলে একটা হাঁটা বর্ডার আছে, সেখান দিয়ে পার করে দিচ্ছে। দিনের বেলাতেও করছে, আবার অনেক সময়ে রাত হয়ে যাচ্ছে – অনেক নথি যাচাই করতে হচ্ছে তো!’

বিবিসি বাংলা গত বুধবার যেদিন হাকিমপুরের সীমান্ত চৌকিতে গিয়েছিল, সেদিনও ওই একই পদ্ধতিতে নথি যাচাইয়ের পরে অপেক্ষা করতে বলা হয় বাংলাদেশে যারা চলে যেতে চান, তাদের।

তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের সেখানেই অপেক্ষা করিয়ে রাখা হয়।

এরপর তাদের বাসে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্বরূপনগর থানা এলাকাতে গড়ে তোলা ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বা আটক শিবিরগুলোয়।

সূত্র : বিবিসি

বিষয় : ভারত পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সীমান্ত

GTV

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ভারত সীমান্তে অপেক্ষা

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬

featured Image

ভারত থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য অনেক মানুষ প্রতিদিন হাজির হচ্ছেন সাতক্ষীরা আর পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত অঞ্চলে। এ সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে বলে উঠে এসেছে বিবিসির এক প্রতিবেদনে।

ভারত সীমান্ত থেকে সরেজমিনে করা বিবিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য হাকিমপুর সীমান্তে প্রতিদিন হাজির হচ্ছেন বহু নারী-পুরুষ, শিশু।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জয়ী হয়ে নতুন সরকারের দায়িত্ব নেয়ার কয়েকদিন পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যখন ঘোষণা দিলেন যে, ‘বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী’দের আর থাকতে দেয়া হবে না, তাদের ফেরত পাঠানো হবে, তারপরেই গত সপ্তাহখানেক ধরে প্রতিদিনই সাত সকালে ওই সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন ‘নিজের দেশে’ ফিরে যেতে চাওয়া মানুষরা।

অবশ্য তার আগে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন যে, যারা ভারতে অবৈধপথে এসেছিলেন, তারা যদি ‘স্বেচ্ছায়’ ফিরে যেতে চান তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দেয়া হবে না।

হাকিমপুরের স্থানীয় বাসিন্দা হাসানুর গাজী বলেন, ‘শুরুর দিকে দৈনিক ১০-১২ জন করে আসছিল, তারপর প্রতিদিনই বাড়ছে এই সংখ্যা। দিন তিনেক আগে থেকে সংখ্যাটা কয়েক শ’তে গিয়ে ঠেকেছে।’

সীমান্ত চৌকিতে এক দিন

হাকিমপুর এলাকাটা উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানা এলাকার অধীন। বিএসএফের চেকপোস্ট পেরিয়ে কিছুটা গেলেই তারালি গ্রাম, তার পরেই সোনাই নদী।

নদীর ওপারে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা।

হাকিমপুরের স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাফা শাওজি জানান, ‘বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্য থেকে চলে যেতে হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, তারপর থেকেই বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য মানুষজন জড়ো হচ্ছেন এখানে।’

সীমান্ত চৌকিতে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম যে প্রথমে একটি পরিত্যক্ত ঘরে অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে বাংলাদেশে চলে যাওয়ার জন্য সীমান্তে জড়ো হওয়া মানুষদের। সেখান থেকে পুলিশ কর্মীরা একেকটি পরিবারকে ডেকে এনে নথি যাচাই করছেন। দেখা হচ্ছে তাদের বাংলাদেশের পরিচয়পত্র; লিখে নেয়া হচ্ছে নাম, পরিচয়, বাংলাদেশের কোন জেলায় তার আদি বাড়ি ছিল– এসব তথ্য। তোলা হচ্ছে ছবিও।

এরপরে তাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে সীমান্ত চৌকি লাগোয়া জায়গায়।

তাদের কীভাবে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, সে ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন বা বিএসএফ আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেনি। কিন্তু সীমান্ত অঞ্চলের ভারতীয় গ্রাম হাকিমপুরের বাসিন্দারা বলেছেন, তারা সবটাই দেখছেন।

হাকিমপুরের বাসিন্দা, স্থানীয় ব্যবসায়ী হাসানুর গাজী জানান, ‘চেকপোস্টে এদের নথি যাচাই হচ্ছে, বায়োমেট্রিক হচ্ছে। তারপরে সীমান্তের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বিএসএফ। এখান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে আমোদিয়া বলে একটা হাঁটা বর্ডার আছে, সেখান দিয়ে পার করে দিচ্ছে। দিনের বেলাতেও করছে, আবার অনেক সময়ে রাত হয়ে যাচ্ছে – অনেক নথি যাচাই করতে হচ্ছে তো!’

বিবিসি বাংলা গত বুধবার যেদিন হাকিমপুরের সীমান্ত চৌকিতে গিয়েছিল, সেদিনও ওই একই পদ্ধতিতে নথি যাচাইয়ের পরে অপেক্ষা করতে বলা হয় বাংলাদেশে যারা চলে যেতে চান, তাদের।

তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের সেখানেই অপেক্ষা করিয়ে রাখা হয়।

এরপর তাদের বাসে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্বরূপনগর থানা এলাকাতে গড়ে তোলা ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বা আটক শিবিরগুলোয়।

সূত্র : বিবিসি


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ভারত সীমান্তে অপেক্ষা
0:00 0:00
1.0x