ঢাকা    রোববার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ঢাকা    রোববার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
GTV

কুরবানির পশু জবাইয়ের আগে শরিকদের নাম বলার হুকুম কী


প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

কুরবানির পশু জবাইয়ের আগে শরিকদের নাম বলার হুকুম কী

কুরবানিকে আরবি ভাষায় ‘উযহিয়্যা’ বলা হয়। ‘উযহিয়্যা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ওই পশু যা কুরবানির দিন জবাই করা হয়। 

শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহতাআলার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পশু জবাই করাকে কুরবানি বলে। 

বস্তুত হযরত ইবরাহিম আ. আল্লাহ তাআলার নির্দেশ পালন করতে একমাত্র প্রাণপ্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইলকে (আ.) কুরবানি করার মতো নজির স্থাপন করে গেছেন। সেই সুন্নত পালনার্থে মুসলিম জাতি আজও কুরবানি করে থাকে। 

কুরবানির তাৎপর্য হলো ত্যাগ, তিতিক্ষা স্বীকার করা এবং প্রিয়বস্তুকে আল্লাহপাকের সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করা। 

কোনো বিষয় সম্পর্কে বিশুদ্ধ জ্ঞান না থাকার ফলে অনেক সময় তা সুচারুরূপে সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না; নানা ধরনের ভুলত্রুটি ঘটে থাকে। অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিথিলতা আবার ঠিক গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন বিষয়ে বাড়াবাড়ি করতে দেখা যায়। 

আমাদের দেশে কুরবানির কার্যাবলি সম্পাদনের ক্ষেত্রে কিছু ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। না-জানা ও না- বোঝার কারণে অনেকেই এই ভুলগুলো করে থাকেন। আমরা যদি এই ভুলগুলো এড়িয়ে চলি এবং যথার্থভাবে কুরবানির কাজ সম্পাদন করি, তাহলে তা আমাদের জন্য হবে আরও বেশি কল্যাণকর, আরও বেশি মহিমামণ্ডিত।

উট, গরু, মহিষ সাতজনের নামে কুরবানি করা যেতে পারে বা সাত ব্যক্তি এতে শরিক হতে পারে। এক থেকে সাতের মধ্যে যেকোনো সংখ্যক ব্যক্তির পক্ষ থেকে উট, গরু, মহিষ কুরবানি করা যেতে পারে। তবে কারও অংশ এক সপ্তমাংশের কম হতে পারবে না। 

আরও পড়ুনআরও পড়ুনঈদের রাতের আমলে জান্নাত ওয়াজিব হয়

শরিকি কুরবানির ক্ষেত্রে আমাদের সমাজে একটি ভুল প্রথা প্রচলিত আছে। তা হলো, কুরবানির পশুকে জবাইয়ের জন্য শোয়ানোর পর জবাই বিলম্বিত করে শরিকদের নামের তালিকা পাঠ করা। 

শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি একটি অপ্রয়োজনীয় কাজ। কারণ কুরবানিদাতারা মনে মনে যে পশু কুরবানি করার নিয়ত করেছেন, সেটিই যথেষ্ট। আলাদা করে শরিকদের নাম পাঠ করার কোনো প্রয়োজন নেই।

মুখে সব শরীকদের নাম বলা কোন জরুরি বিষয় নয়। বরং জবাইকারী শুধু পশুটির মালিকদের নামে কুরবানি করছেন এতটুকু মনের মাঝে রেখে জবাই করলেই কুরবানি বিশুদ্ধ হয়ে যাবে। (ফাতাওয়া দারুল উলুম দেওবন্দ-১৫/৫১৭)

আর পশুকে শুইয়ে রেখে এভাবে নামের তালিকা পাঠ করার কারণে পশুকে অতিরিক্ত কষ্ট দেওয়া হয়। কোনো কোনো এলাকায় নামের তালিকা পড়তে গিয়ে জবাইয়ে যথেষ্ট বিলম্ব হয়, যা পশুর জন্য কষ্টদায়ক। 

হাদিস শরিফে জবাইয়ের ক্ষেত্রে পশুকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কষ্ট দিতে নিষেধ করা হয়েছে।

বিষয় : কুরবানির মাসয়ালা ঈদুল আজহা কুরবানির পশু

GTV

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬


কুরবানির পশু জবাইয়ের আগে শরিকদের নাম বলার হুকুম কী

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬

featured Image

কুরবানিকে আরবি ভাষায় ‘উযহিয়্যা’ বলা হয়। ‘উযহিয়্যা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ওই পশু যা কুরবানির দিন জবাই করা হয়। 

শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহতাআলার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পশু জবাই করাকে কুরবানি বলে। 

বস্তুত হযরত ইবরাহিম আ. আল্লাহ তাআলার নির্দেশ পালন করতে একমাত্র প্রাণপ্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইলকে (আ.) কুরবানি করার মতো নজির স্থাপন করে গেছেন। সেই সুন্নত পালনার্থে মুসলিম জাতি আজও কুরবানি করে থাকে। 

কুরবানির তাৎপর্য হলো ত্যাগ, তিতিক্ষা স্বীকার করা এবং প্রিয়বস্তুকে আল্লাহপাকের সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করা। 

কোনো বিষয় সম্পর্কে বিশুদ্ধ জ্ঞান না থাকার ফলে অনেক সময় তা সুচারুরূপে সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না; নানা ধরনের ভুলত্রুটি ঘটে থাকে। অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিথিলতা আবার ঠিক গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন বিষয়ে বাড়াবাড়ি করতে দেখা যায়। 

আমাদের দেশে কুরবানির কার্যাবলি সম্পাদনের ক্ষেত্রে কিছু ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। না-জানা ও না- বোঝার কারণে অনেকেই এই ভুলগুলো করে থাকেন। আমরা যদি এই ভুলগুলো এড়িয়ে চলি এবং যথার্থভাবে কুরবানির কাজ সম্পাদন করি, তাহলে তা আমাদের জন্য হবে আরও বেশি কল্যাণকর, আরও বেশি মহিমামণ্ডিত।

উট, গরু, মহিষ সাতজনের নামে কুরবানি করা যেতে পারে বা সাত ব্যক্তি এতে শরিক হতে পারে। এক থেকে সাতের মধ্যে যেকোনো সংখ্যক ব্যক্তির পক্ষ থেকে উট, গরু, মহিষ কুরবানি করা যেতে পারে। তবে কারও অংশ এক সপ্তমাংশের কম হতে পারবে না। 

আরও পড়ুনআরও পড়ুনঈদের রাতের আমলে জান্নাত ওয়াজিব হয়

শরিকি কুরবানির ক্ষেত্রে আমাদের সমাজে একটি ভুল প্রথা প্রচলিত আছে। তা হলো, কুরবানির পশুকে জবাইয়ের জন্য শোয়ানোর পর জবাই বিলম্বিত করে শরিকদের নামের তালিকা পাঠ করা। 

শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি একটি অপ্রয়োজনীয় কাজ। কারণ কুরবানিদাতারা মনে মনে যে পশু কুরবানি করার নিয়ত করেছেন, সেটিই যথেষ্ট। আলাদা করে শরিকদের নাম পাঠ করার কোনো প্রয়োজন নেই।

মুখে সব শরীকদের নাম বলা কোন জরুরি বিষয় নয়। বরং জবাইকারী শুধু পশুটির মালিকদের নামে কুরবানি করছেন এতটুকু মনের মাঝে রেখে জবাই করলেই কুরবানি বিশুদ্ধ হয়ে যাবে। (ফাতাওয়া দারুল উলুম দেওবন্দ-১৫/৫১৭)

আর পশুকে শুইয়ে রেখে এভাবে নামের তালিকা পাঠ করার কারণে পশুকে অতিরিক্ত কষ্ট দেওয়া হয়। কোনো কোনো এলাকায় নামের তালিকা পড়তে গিয়ে জবাইয়ে যথেষ্ট বিলম্ব হয়, যা পশুর জন্য কষ্টদায়ক। 

হাদিস শরিফে জবাইয়ের ক্ষেত্রে পশুকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কষ্ট দিতে নিষেধ করা হয়েছে।


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর /সুব্রত দাস সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার নিবাহী সম্পাদক: শুুকান্ত মিএ নির্বাহী পরিচালক: টুটুল মাহেন্তি
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
কুরবানির পশু জবাইয়ের আগে শরিকদের নাম বলার হুকুম কী
0:00 0:00
1.0x