ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ঢাকা    সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
GTV

আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার


প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার
আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার |ইন্টারনেট

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) নথি হাইকোর্টে এসেছে।

ফৌজদারি মামলায় কারো মৃত্যুদণ্ড হলে সেই রায় কার্যকরের জন্য হাইকোর্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসেবে পরিচিত। সেই ধারাবাহিকতায় বিচারিক আদালত থেকে রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স আজ মঙ্গলবার বিকেলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসে পৌঁছেছে।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গত ৭ জুন মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। পাশাপাশি সোহেলকে পাঁচ লাখ এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়।

সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে আসামির বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির খণ্ডিত লাশ দেখতে পান।

এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় গত ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়।

গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। একই দিন আদালত স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তদন্ত শেষে ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিনে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন।

গত ১ জুন সোহেল ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর গত ৪ জুন চার্জগঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৭ জুন দিন ধার্য করেন আদালত।

বিষয় : ধর্ষণ রামিসা হত্যা ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড

GTV

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬

featured Image

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) নথি হাইকোর্টে এসেছে।

ফৌজদারি মামলায় কারো মৃত্যুদণ্ড হলে সেই রায় কার্যকরের জন্য হাইকোর্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসেবে পরিচিত। সেই ধারাবাহিকতায় বিচারিক আদালত থেকে রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স আজ মঙ্গলবার বিকেলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসে পৌঁছেছে।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গত ৭ জুন মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। পাশাপাশি সোহেলকে পাঁচ লাখ এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়।

সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে আসামির বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির খণ্ডিত লাশ দেখতে পান।

এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় গত ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়।

গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। একই দিন আদালত স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তদন্ত শেষে ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিনে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন।

গত ১ জুন সোহেল ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর গত ৪ জুন চার্জগঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৭ জুন দিন ধার্য করেন আদালত।


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর /সুব্রত দাস সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার নিবাহী সম্পাদক: শুুকান্ত মিএ নির্বাহী পরিচালক: টুটুল মাহেন্তি
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার
0:00 0:00
1.0x