ঢাকা    মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
ঢাকা    মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
GTV

ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে বাংলা কিউআরের ফি শূন্য


প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে বাংলা কিউআরের ফি শূন্য
ছবি: সংগৃহীত

বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনে ইন্টারচেঞ্জ রেইমবার্সমেন্ট ফি (আইআরএফ) শূন্য করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ী ও সেবা প্রদানকারীদের বাংলা কিউআরভিত্তিক ছোট অঙ্কের লেনদেনে প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা পৃথক দুটি নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক সব ধরনের লেনদেনে আইআরএফের হার শূন্য। ফলে বাংলা কিউআর লেনদেনের বিপরীতে ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোনো ফি বা সার্ভিস চার্জ পাবে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য হলো মার্চেন্ট পেমেন্ট সহজ করা এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল পেমেন্টের আওতা বাড়ানো।

এদিকে বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেন বাড়াতে প্রণোদনা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ড করা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পণ্য বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারীদের মার্চেন্ট পয়েন্টে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের বিপরীতে এ প্রণোদনা দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান লেনদেনের পরিমাণের শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবে।

তবে প্রণোদনা পেতে কোনো লেনদেনকে কৃত্রিমভাবে একাধিক ছোট লেনদেনে ভাগ করা যাবে না। একইভাবে ‘ট্রানজ্যাকশন স্ট্রাকচারিং’ বা অন্য কোনো কৌশলে লেনদেনের পরিমাণ বাড়ানোও নিষিদ্ধ। ব্যর্থ, রিভার্সড, রিফান্ডেড, চার্জব্যাক, বিতর্কিত বা পরে বাতিল হওয়া লেনদেনের বিপরীতে প্রণোদনা দেওয়া হবে না।

কোনো মার্চেন্টের অস্বাভাবিক লেনদেন দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে তা যাচাই করতে হবে। কৃত্রিম লেনদেন বা অপব্যবহার প্রমাণিত হলে প্রণোদনার অর্থ ফেরত নেওয়া বা সমন্বয়ের পাশাপাশি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে সারা দেশে একক ও সর্বজনীন বাংলা কিউআর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার পর এ মাধ্যমে লেনদেন বেড়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৬ লাখ লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। শুধু ২ থেকে ৮ আগস্ট এক সপ্তাহে বাংলা কিউআরে লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৭ লাখ, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৮৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার লেনদেন হয়েছে। প্রতিটি লেনদেনের গড় মূল্য ছিল প্রায় ২ হাজার ৮৬৫ টাকা।

বাংলা কিউআর একটি একক কিউআর কোড, যা অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করে অর্থ পরিশোধ করা যায়। ফলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন সেবাদাতার জন্য আলাদা কিউআর কোড রাখতে হয় না।

বিষয় : বাংলাদেশ ব্যাংক লেনদেন

GTV

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে বাংলা কিউআরের ফি শূন্য

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনে ইন্টারচেঞ্জ রেইমবার্সমেন্ট ফি (আইআরএফ) শূন্য করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ী ও সেবা প্রদানকারীদের বাংলা কিউআরভিত্তিক ছোট অঙ্কের লেনদেনে প্রণোদনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা পৃথক দুটি নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক সব ধরনের লেনদেনে আইআরএফের হার শূন্য। ফলে বাংলা কিউআর লেনদেনের বিপরীতে ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোনো ফি বা সার্ভিস চার্জ পাবে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য হলো মার্চেন্ট পেমেন্ট সহজ করা এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল পেমেন্টের আওতা বাড়ানো।

এদিকে বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেন বাড়াতে প্রণোদনা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ড করা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পণ্য বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারীদের মার্চেন্ট পয়েন্টে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের বিপরীতে এ প্রণোদনা দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান লেনদেনের পরিমাণের শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবে।

তবে প্রণোদনা পেতে কোনো লেনদেনকে কৃত্রিমভাবে একাধিক ছোট লেনদেনে ভাগ করা যাবে না। একইভাবে ‘ট্রানজ্যাকশন স্ট্রাকচারিং’ বা অন্য কোনো কৌশলে লেনদেনের পরিমাণ বাড়ানোও নিষিদ্ধ। ব্যর্থ, রিভার্সড, রিফান্ডেড, চার্জব্যাক, বিতর্কিত বা পরে বাতিল হওয়া লেনদেনের বিপরীতে প্রণোদনা দেওয়া হবে না।

কোনো মার্চেন্টের অস্বাভাবিক লেনদেন দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে তা যাচাই করতে হবে। কৃত্রিম লেনদেন বা অপব্যবহার প্রমাণিত হলে প্রণোদনার অর্থ ফেরত নেওয়া বা সমন্বয়ের পাশাপাশি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে সারা দেশে একক ও সর্বজনীন বাংলা কিউআর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার পর এ মাধ্যমে লেনদেন বেড়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৬ লাখ লেনদেন হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। শুধু ২ থেকে ৮ আগস্ট এক সপ্তাহে বাংলা কিউআরে লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৭ লাখ, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৮৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার লেনদেন হয়েছে। প্রতিটি লেনদেনের গড় মূল্য ছিল প্রায় ২ হাজার ৮৬৫ টাকা।

বাংলা কিউআর একটি একক কিউআর কোড, যা অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করে অর্থ পরিশোধ করা যায়। ফলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন সেবাদাতার জন্য আলাদা কিউআর কোড রাখতে হয় না।


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর /সুব্রত দাস সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার নিবাহী সম্পাদক: শুুকান্ত মিএ নির্বাহী পরিচালক: টুটুল মাহেন্তি
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে বাংলা কিউআরের ফি শূন্য
0:00 0:00
1.0x