ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতময় একটি দিন। ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এই পৃথিবীতে আগমন করেন এবং একই দিনে তিনি ইন্তেকালও করেন।মহানবী (সা.)-এর আগমনের মাধ্যমে মহান আল্লাহ বিশ্বজগৎকে জাহেলিয়াতের অন্ধকার থেকে মুক্ত করে সত্য, ন্যায় ও শান্তির পথ দেখান। পবিত্র কুরআনে তাঁকে "রহমাতুল্লিল আলামীন" বা সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।এই দিনটি আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.)-এর সুমহান চরিত্র, আদর্শ, সুন্নাহ এবং তাঁর দেখানো সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষাকে নতুন করে জীবনে ধারণ করার তাগিদ দেয়।হযরত মুহাম্মদ (সা.) সমতা, মানবাধিকার, নারী ও এতিমদের অধিকার রক্ষা এবং ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার যে কালজয়ী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তা স্মরণের সেরা উপলক্ষ এই দিনটি।ঈদে মিলাদুন্নবীতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ, দান-সদকা, মিলাদ মাহফিল এবং নফল ইবাদতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন ও নবীজি (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটান।শুধু আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শকে নিজের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে মেনে চলাই হলো ঈদে মিলাদুন্নবীর প্রকৃত শিক্ষা।
✍️বিরোহিণী