ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
GTV

পলাশবাড়ীতে ৩০ কিলোমিটার সড়কে গাছ লাগানোর উদ্যোগ, সংরক্ষণ নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন


প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

পলাশবাড়ীতে ৩০ কিলোমিটার সড়কে গাছ লাগানোর উদ্যোগ, সংরক্ষণ নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

ঘোগাদহে জনসম্পৃক্ততায় প্রশংসিত চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক

সুখানপুকুরিতে ৩ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, ১৩ বছরের কিশোর গ্রেপ্তার

শ্রেণিকক্ষের সংকটসহ নানা সমস্যায় কামারজানী বনিক ফাজিল মাদ্রাসা

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

রাতভর অভিযান শেষে ক্লান্ত শরির নিয়ে সকালেই মাঠে গাইবান্ধা ডিবি পুলিশ

পলাশবাড়ীতে ৩০ কিলোমিটার সড়কে গাছ লাগানোর উদ্যোগ, সংরক্ষণ নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

গাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডলঃ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও বাঁধের পাশে প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় তাল, খেজুর, আম, জাম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছিলেন মরহুম আব্দুল হাকিম মন্ডল ধলু স্যার। তবে দীর্ঘদিন পর তার লাগানো এসব গাছের কতটুকু এখনো টিকে আছে, সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ হচ্ছে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে উপজেলার ২ নম্বর হোসেনপুর ইউনিয়নের চেরেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা ও মেরীরহাট ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক আব্দুল হাকিম মন্ডল বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ শুরু করেন। শালমারা ও ছোট শালমারা এলাকা থেকে শুরু করে করতোয়া বাঁধ, করতোয়া পাড়া, মেরীরহাট বাজার, লক্ষ্মীপুর, সাইনদহ, কুরসিয়াপাড়া, টুকনিপাড়া, চেরেঙ্গা, খাসবাড়ি, কদমতলী, রামকৃষ্ণপুর, আকবরনগর ও দর্জিপাড়া এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয় বলে জানা যায়।

তার এই বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৮৮ সালে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে তাকে ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে সনদ দেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তবে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলো রক্ষা ও নিয়মিত পরিচর্যার বিষয়টি এখন নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশে লাগানো অনেক গাছ বিভিন্ন সময়ে কেটে ফেলা হয়েছে। কিছু গাছ রাতের আঁধারে কেটে নিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন আগে যে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, তার পুরো সুফল পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

আব্দুল হাকিম মন্ডল ২০২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মারা যান। তার মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা নিজেদের উদ্যোগে গাছগুলোর পরিচর্যা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তার ছোট ছেলে মো. মাসুম বিল্লাহ। তার ভাষ্য, তাদের কোনো ব্যক্তিগত প্রত্যাশা নেই; বরং তার বাবার বৃক্ষপ্রেমের কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে তুলে ধরা হলে মানুষ বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণে আরও উৎসাহিত হবে।

সরেজমিনে চেরেঙ্গা গ্রামের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা দেখা গেছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, এসব চারা বড় হলে সড়কের পাশে রোপণ করা হবে। অর্থাৎ বৃক্ষরোপণের উদ্যোগটি এখনো পরিবারটির মধ্যে অব্যাহত রয়েছে।

তবে স্থানীয়দের মতে, শুধু ব্যক্তি উদ্যোগে গাছ লাগালেই পরিবেশ রক্ষা সম্ভব নয়। সড়কের পাশে লাগানো গাছগুলো যাতে অবৈধভাবে কেটে ফেলা না হয়, সেজন্য স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন।

পরিবেশ সচেতন মহল বলছে, আব্দুল হাকিম মন্ডলের মতো একজন ব্যক্তির দীর্ঘদিনের বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়। কিন্তু তার উদ্যোগকে স্মরণীয় করে রাখতে হলে নতুন করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি পুরোনো গাছগুলো রক্ষা করাও জরুরি। নইলে একসময় রাস্তার পাশে বৃক্ষরোপণের সেই স্মৃতিও হারিয়ে যেতে পারে।

তাদের মতে, বৃক্ষ নিধন বন্ধ করে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি তদারকি নিশ্চিত করা গেলে আব্দুল হাকিম মন্ডলের দীর্ঘদিনের বৃক্ষপ্রেমের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও কার্যকর দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা  যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।  ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।  সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

GTV

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


পলাশবাড়ীতে ৩০ কিলোমিটার সড়কে গাছ লাগানোর উদ্যোগ, সংরক্ষণ নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

পলাশবাড়ীতে ৩০ কিলোমিটার সড়কে গাছ লাগানোর উদ্যোগ, সংরক্ষণ নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন

গাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডলঃ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও বাঁধের পাশে প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় তাল, খেজুর, আম, জাম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছিলেন মরহুম আব্দুল হাকিম মন্ডল ধলু স্যার। তবে দীর্ঘদিন পর তার লাগানো এসব গাছের কতটুকু এখনো টিকে আছে, সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ হচ্ছে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে উপজেলার ২ নম্বর হোসেনপুর ইউনিয়নের চেরেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা ও মেরীরহাট ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক আব্দুল হাকিম মন্ডল বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ শুরু করেন। শালমারা ও ছোট শালমারা এলাকা থেকে শুরু করে করতোয়া বাঁধ, করতোয়া পাড়া, মেরীরহাট বাজার, লক্ষ্মীপুর, সাইনদহ, কুরসিয়াপাড়া, টুকনিপাড়া, চেরেঙ্গা, খাসবাড়ি, কদমতলী, রামকৃষ্ণপুর, আকবরনগর ও দর্জিপাড়া এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয় বলে জানা যায়।

তার এই বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৮৮ সালে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে তাকে ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে সনদ দেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তবে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলো রক্ষা ও নিয়মিত পরিচর্যার বিষয়টি এখন নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশে লাগানো অনেক গাছ বিভিন্ন সময়ে কেটে ফেলা হয়েছে। কিছু গাছ রাতের আঁধারে কেটে নিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন আগে যে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, তার পুরো সুফল পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

আব্দুল হাকিম মন্ডল ২০২২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মারা যান। তার মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা নিজেদের উদ্যোগে গাছগুলোর পরিচর্যা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তার ছোট ছেলে মো. মাসুম বিল্লাহ। তার ভাষ্য, তাদের কোনো ব্যক্তিগত প্রত্যাশা নেই; বরং তার বাবার বৃক্ষপ্রেমের কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে তুলে ধরা হলে মানুষ বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণে আরও উৎসাহিত হবে।

সরেজমিনে চেরেঙ্গা গ্রামের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা দেখা গেছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, এসব চারা বড় হলে সড়কের পাশে রোপণ করা হবে। অর্থাৎ বৃক্ষরোপণের উদ্যোগটি এখনো পরিবারটির মধ্যে অব্যাহত রয়েছে।

তবে স্থানীয়দের মতে, শুধু ব্যক্তি উদ্যোগে গাছ লাগালেই পরিবেশ রক্ষা সম্ভব নয়। সড়কের পাশে লাগানো গাছগুলো যাতে অবৈধভাবে কেটে ফেলা না হয়, সেজন্য স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত নজরদারি প্রয়োজন।

পরিবেশ সচেতন মহল বলছে, আব্দুল হাকিম মন্ডলের মতো একজন ব্যক্তির দীর্ঘদিনের বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়। কিন্তু তার উদ্যোগকে স্মরণীয় করে রাখতে হলে নতুন করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি পুরোনো গাছগুলো রক্ষা করাও জরুরি। নইলে একসময় রাস্তার পাশে বৃক্ষরোপণের সেই স্মৃতিও হারিয়ে যেতে পারে।

তাদের মতে, বৃক্ষ নিধন বন্ধ করে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ ও সংরক্ষণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। ব্যক্তি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি তদারকি নিশ্চিত করা গেলে আব্দুল হাকিম মন্ডলের দীর্ঘদিনের বৃক্ষপ্রেমের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও কার্যকর দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
পলাশবাড়ীতে ৩০ কিলোমিটার সড়কে গাছ লাগানোর উদ্যোগ, সংরক্ষণ নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন
0:00 0:00
1.0x