ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
GTV

সেজুতী হোসাইন

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে সরকারের অনেক ইতিবাচক উদ্যোগও আজ মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বাস্তবতা হলো—এই সংকট অস্বীকার করার সুযোগ নেই।


প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে সরকারের অনেক ইতিবাচক উদ্যোগও আজ মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বাস্তবতা হলো—এই সংকট অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

নদীতে ঝাঁপ দিয়েও শেষ রক্ষা হলো না শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ইলিয়াসের অস্ত্রসহ আটক আটক

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে সরকারের অনেক ইতিবাচক উদ্যোগও আজ মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বাস্তবতা হলো—এই সংকট অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

প্রবাসীদের আইনি সহায়তা, ট্রাভেল সার্ভিস ও রেমিট্যান্স সেবায় রোমে ‘গ্লোবাল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস’ উদ্বোধন

ইতালিতে বাংলাদেশিদের নতুন অর্জন ‘মানুষের সেবাই আমার লক্ষ্য’—গণসংবর্ধনায় আরেজ্জো সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত কাউন্সিলার রাসেল আহমেদ

সবুজ আন্দোলন ঢাকা জেলা উত্তর নবনির্বাচিত কমিটির যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেলেন মেঘলা আক্তার।

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে সরকারের অনেক ইতিবাচক উদ্যোগও আজ মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বাস্তবতা হলো—এই সংকট অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত গ্যাস চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ LNG (Liquefied Natural Gas) বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এই আমদানিকৃত গ্যাস দেশের এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে একটি ২১ জুলাই দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যেটির মাধ্যমে দেশের আমদানিকৃত গ্যাসের বড় একটি অংশ সরবরাহ করা হতো। এ কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক।

এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা ও হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার প্রভাব বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে পড়েছে। অনেক দেশেই গ্যাসের দাম বেড়েছে, সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে এবং বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব দৃশ্যমান।

তবে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি খুবই সহজ—তারা শুধু দেখতে চান, ঘরে গ্যাস আছে কি না, বিদ্যুৎ ঠিকমতো পাচ্ছেন কি না। যখন মানুষ গরমে কষ্ট পায় বা রান্না করতে পারে না, তখন আন্তর্জাতিক কারণগুলো তাদের কাছে গৌণ হয়ে যায়।

এ কারণেই সরকারের উচিত জনগণের সঙ্গে আরও নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে যোগাযোগ করা। সংকটের প্রকৃত কারণ কী, পরিস্থিতির উন্নতি কবে থেকে আশা করা যায় এবং সরকার কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে—এসব বিষয় স্পষ্টভাবে জানানো। মানুষ সরাসরি ও সৎ ব্যাখ্যা শুনতে পছন্দ করে। নীরবতা অনেক সময় ভুল ধারণার জন্ম দেয়।

একই সঙ্গে সাময়িকভাবে কিছু বাস্তবসম্মত উদ্যোগও বিবেচনা করা যেতে পারে—যেমন অফিসের সময়সূচিতে সাময়িক সমন্বয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বিন্যাস, এবং বড় মার্কেট বা বাণিজ্যিক এলাকায় শিফটভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা।

সংকটের সময় দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, নাগরিকদেরও। তবে এই দায়িত্ব পালনের জন্য মানুষের আস্থা অর্জন সবচেয়ে জরুরি। আর সেই আস্থার ভিত্তি হলো—স্বচ্ছতা, নিয়মিত যোগাযোগ এবং কার্যকর উদ্যোগ।

GTV

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে সরকারের অনেক ইতিবাচক উদ্যোগও আজ মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বাস্তবতা হলো—এই সংকট অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে সরকারের অনেক ইতিবাচক উদ্যোগও আজ মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বাস্তবতা হলো—এই সংকট অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশে দেশীয়ভাবে উৎপাদিত গ্যাস চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ LNG (Liquefied Natural Gas) বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এই আমদানিকৃত গ্যাস দেশের এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে একটি ২১ জুলাই দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যেটির মাধ্যমে দেশের আমদানিকৃত গ্যাসের বড় একটি অংশ সরবরাহ করা হতো। এ কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক।

এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা ও হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার প্রভাব বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে পড়েছে। অনেক দেশেই গ্যাসের দাম বেড়েছে, সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে এবং বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব দৃশ্যমান।

তবে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি খুবই সহজ—তারা শুধু দেখতে চান, ঘরে গ্যাস আছে কি না, বিদ্যুৎ ঠিকমতো পাচ্ছেন কি না। যখন মানুষ গরমে কষ্ট পায় বা রান্না করতে পারে না, তখন আন্তর্জাতিক কারণগুলো তাদের কাছে গৌণ হয়ে যায়।

এ কারণেই সরকারের উচিত জনগণের সঙ্গে আরও নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে যোগাযোগ করা। সংকটের প্রকৃত কারণ কী, পরিস্থিতির উন্নতি কবে থেকে আশা করা যায় এবং সরকার কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে—এসব বিষয় স্পষ্টভাবে জানানো। মানুষ সরাসরি ও সৎ ব্যাখ্যা শুনতে পছন্দ করে। নীরবতা অনেক সময় ভুল ধারণার জন্ম দেয়।

একই সঙ্গে সাময়িকভাবে কিছু বাস্তবসম্মত উদ্যোগও বিবেচনা করা যেতে পারে—যেমন অফিসের সময়সূচিতে সাময়িক সমন্বয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বিন্যাস, এবং বড় মার্কেট বা বাণিজ্যিক এলাকায় শিফটভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা।

সংকটের সময় দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, নাগরিকদেরও। তবে এই দায়িত্ব পালনের জন্য মানুষের আস্থা অর্জন সবচেয়ে জরুরি। আর সেই আস্থার ভিত্তি হলো—স্বচ্ছতা, নিয়মিত যোগাযোগ এবং কার্যকর উদ্যোগ।



GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর /সুব্রত দাস সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার নিবাহী সম্পাদক: শুুকান্ত মিএ নির্বাহী পরিচালক: টুটুল মাহেন্তি
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে সরকারের অনেক ইতিবাচক উদ্যোগও আজ মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাচ্ছে। বাস্তবতা হলো—এই সংকট অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
0:00 0:00
1.0x