ধর্মপাশা গাছতলায় সংখ্যালঘুর বসত ঘরে আগুন ও মালামাল লুট সহ ৩ জন আহত
সাইফ উল্লাহ, নিজস্ব প্রতিবেদক::
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার গাছতলা বাজারে সনাতন ধর্মাবলম্বী সংখ্যালঘুর বসতবাড়িতে গভীর রাতে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটের এক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ ঘটিকার দিকে একদল দুর্বৃত্তরা অতর্কিতভাবে গাছতলা বাজারসংলগ্ন সনাতন ধর্মাবলম্বী মৃত মনিন্দ্র চন্দ্র দাসের বাড়িতে হামলা চালায়। দুর্বৃত্তরা বসতঘরের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং ঘরে থাকা মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার সময় ঘরে থাকা পুস্প দাস (৬৫), আরাধন দাস (৪০), বঞ্জন দাস (৩০), জীবন দাস (২৮), সুইটি দাস (২০) ও সুনুতি দাস (৩০)-সহ পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। রাতে আকস্মিক এই হামলায় ভীতি ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে কিংবা সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা ও লুটপাট চালানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার পর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
অভিযুক্তকারী আরাধন দাস জানান,
উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের লেঙ্গুর গ্রামের আলী আহম্মদ এর ছেলে কদ্দুস, ফেদ্দৌস, সফিক ও হুকুমদাতা বড়ই হাটি গ্রামের হাদি ইসলাম প্রমুখ। মালামাল লুট করে ঘর ভেঙ্গে মালামাল নিয়ে যায় যার মুল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। এতে মালামাল সহ চাউল, ডাল সহ স্বর্ণ অলংকার ছিল।
জানাযায়, জমির প্রকৃত মালিক আরাধন দাসের দাদা মহিন দাস ও বেহারী দাস। বর্তমান আর এস রেকর্ডে বাংলাদেশ সরকার মালিক হয়। ২০২৩ সালে সরকারের সাথে টার্মিনাল করে আমি রায় পাই। আদালতের রায় পেয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বসবাস করে আসছি। প্রতিপক্ষ কদ্দুস, ফেদ্দুস, সফিক উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যার ক্রমিক নং ৮৫, মোকাদ্দামা নং ১৫৪/২০২৪ ইং। এব্যাপারে অভিযুক্ত কদ্দুস গংদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। আজ শুক্রবার সকাল ৭ ঘটিকায় দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে নারী পুরুষ সহ ৩ জন আহত হয়। বসতি ঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পর আহত আরাধন দাস,পুস্প দাস ও সুনুতি দাসের আত্নচিৎকারে আশপাশে লোকজনে চলে আসলে দুবৃত্তরা পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ধর্মপাশা থানার এস আই মজিবুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ খবর পেয়ে ঘটনাস্থান পরির্দশন করেন।