ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
GTV

কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে হাতাহাতি, ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা


প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে হাতাহাতি, ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা

কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে হাতাহাতি, ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা 

মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, কুষ্টিয়া।। কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কর্মসূচিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সংঘর্ষের দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন স্টার নিউজের কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম ও প্রতিদিনের বাংলাদেশের কুমারখালী প্রতিনিধি মমিন ইসলাম। তাঁদের গালিগালাজ করার পাশাপাশি মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। পরে জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাক্কির হোসেন রাব্বির হস্তক্ষেপে ছিনিয়ে নেওয়া দুটি মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়া হয়। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে গড়াই নদের ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে যান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এর আগে তিনি রায়ডাঙ্গায় শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে প্রতিমন্ত্রী গাড়িতে ওঠার সময় সেখানে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করতে গেলে স্টার নিউজের কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি জহুরুল ইসলামের ওপর চড়াও হন জেলা ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে পরিচিত মুন্না। অভিযোগ রয়েছে, তাঁকে গালিগালাজ করে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁকে হেনস্তা করা হয়। একই সময়ে আরেকজন ছাত্রদল কর্মী তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে প্রতিদিনের বাংলাদেশের কুমারখালী প্রতিনিধি মমিন ইসলামও হামলার শিকার হন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁকে কিল-ঘুষি মারার পাশাপাশি তাঁর মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। পরে জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাক্কির হোসেন রাব্বির হস্তক্ষেপে দুটি মোবাইল ফোন ফেরত পান দুই সাংবাদিক। স্টার নিউজের কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রতিমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত থাকাকালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করছিলাম। এ সময় আমার কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং ধাক্কাধাক্কি করা হয়। তিনি আরও বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি সাংবাদিকদের এভাবে হামলা ও হেনস্তার শিকার হতে হয়, তাহলে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোথায়? সংবাদ সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বাধা, হামলা কিংবা অপমানের শিকার হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও পেশাগত কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জেলায় কর্মরত সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। 

GTV

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে হাতাহাতি, ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে হাতাহাতি, ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা 

মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, কুষ্টিয়া।। কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের কর্মসূচিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সংঘর্ষের দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন স্টার নিউজের কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম ও প্রতিদিনের বাংলাদেশের কুমারখালী প্রতিনিধি মমিন ইসলাম। তাঁদের গালিগালাজ করার পাশাপাশি মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। পরে জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাক্কির হোসেন রাব্বির হস্তক্ষেপে ছিনিয়ে নেওয়া দুটি মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়া হয়। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে গড়াই নদের ওপর প্রস্তাবিত শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে যান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এর আগে তিনি রায়ডাঙ্গায় শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে প্রতিমন্ত্রী গাড়িতে ওঠার সময় সেখানে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করতে গেলে স্টার নিউজের কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি জহুরুল ইসলামের ওপর চড়াও হন জেলা ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে পরিচিত মুন্না। অভিযোগ রয়েছে, তাঁকে গালিগালাজ করে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁকে হেনস্তা করা হয়। একই সময়ে আরেকজন ছাত্রদল কর্মী তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে প্রতিদিনের বাংলাদেশের কুমারখালী প্রতিনিধি মমিন ইসলামও হামলার শিকার হন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁকে কিল-ঘুষি মারার পাশাপাশি তাঁর মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। পরে জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাক্কির হোসেন রাব্বির হস্তক্ষেপে দুটি মোবাইল ফোন ফেরত পান দুই সাংবাদিক। স্টার নিউজের কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রতিমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত থাকাকালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করছিলাম। এ সময় আমার কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং ধাক্কাধাক্কি করা হয়। তিনি আরও বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি সাংবাদিকদের এভাবে হামলা ও হেনস্তার শিকার হতে হয়, তাহলে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোথায়? সংবাদ সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বাধা, হামলা কিংবা অপমানের শিকার হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও পেশাগত কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জেলায় কর্মরত সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাঁরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। 


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
কুষ্টিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে হাতাহাতি, ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা
0:00 0:00
1.0x