দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব সরদার পাড়া গ্রামের কথিত মামলার দালাল ও প্রতারক জমশেদ আলী (পিতা: জসে) আবারও তার অপকর্মের মাধ্যমে আলোচনায়। নিজেকে থানা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি পরিচয়দানকারী এই ব্যক্তি কীভাবে এমন পদে রয়েছে—তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রশ্ন ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।অভিযোগ রয়েছে, ঝালোরচর এলাকার আবুল কালাম আজাদের কাছ থেকে একটি মামলার জামিন করিয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার আশ্রয় নেয় জমশেদ। সে সরাসরি ৩০,০০০ টাকার চুক্তি করে এবং বড়াই করে বলে—“ম্যাজিস্ট্রেট সব ঠিক করা, শুধু পিটিশন দিলেই জামিন হবে।” এই মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে সে ৮,০০০ টাকা হাতিয়ে নেয়।কিন্তু বাস্তবতা হলো—২৪/০৬/২০২৬ তারিখে জামিন হয়নি। পরবর্তীতে ২৮/০৬/২০২৬ তারিখে আবার পিটিশন দিতে প্ররোচিত করলেও ফলাফল একই—জামিন মঞ্জুর হয়নি। এতে স্পষ্ট হয়, শুরু থেকেই এটি ছিল পরিকল্পিত প্রতারণা।ঘটনার এখানেই শেষ নয়। নিজের অপকর্ম ঢাকতে গিয়ে জমশেদ আলী প্রকাশ্যে অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামানকে মোবাইলে হুমকি দেয় এবং এলাকায় প্রবেশ ও আইনপেশা পরিচালনায় বাধা দেওয়ার দুঃসাহস দেখায়—যা আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।এদিকে, তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা চলমান ও তদন্তাধীন থাকা সত্ত্বেও, সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট দিয়ে দাবি করছে যে বিষয়টি আপোষে নিষ্পত্তি হয়েছে—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান—কোনো আপোষ হয়নি, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত প্রতারণা ও অপপ্রচার।সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের দালালচক্র শুধু সাধারণ মানুষকে প্রতারিতই করছে না, বরং বিচার ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
