নিজস্ব প্রতিবেদক
কাপড়ের এলসি করে পণ্য সরবরাহের কথা বলে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, টাকা নেওয়ার পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো কাপড় সরবরাহ না করে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা করতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে পাওনা টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগীকে প্রায় ৩ কোটি টাকার একটি চেক দেওয়া হলেও সেটিও কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।
ভুক্তভোগীর দাবি, টাকা ও পণ্য—কোনোটিই না দিয়ে পরবর্তীতে শহিদুল ইসলাম তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাদীর আরও অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।
অভিযোগকারীর ভাষ্য, শহিদুল ইসলাম এককভাবে নয়, একটি সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আইনগতভাবে তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকার পরও তিনি কীভাবে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে যাচ্ছেন—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারী দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
