ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
GTV

গাইবান্ধা সদরে খাল খনন না হওয়ায় সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ৫৭ লাখ টাকা


প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

গাইবান্ধা সদরে খাল খনন না হওয়ায় সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ৫৭ লাখ টাকা

গাইবান্ধা সদরে খাল খনন না হওয়ায় সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ৫৭ লাখ টাকা

গাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডল:

গাইবান্ধা সদর উপজেলার দুটি খাল খনন প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হওয়ায় সরকারের বরাদ্দকৃত ৫৭ লাখ ৩২ হাজার ৪৪৩ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ বিলম্বে পাওয়া এবং এরই মধ্যে বর্ষা মৌসুম শুরু হয়ে যাওয়ায় প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।সোমবার (৩ আগস্ট) উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সদর উপজেলার দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের জন্য ওয়েজ কস্ট (শ্রমিকের মজুরি) এবং নন-ওয়েজ কস্ট (যন্ত্রপাতি, জ্বালানি, সরঞ্জাম ও অন্যান্য ব্যয়) খাতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে বরাদ্দ নির্ধারিত সময়ে না পৌঁছানোয় প্রকল্পের কাজ শুরু ও শেষ করা সম্ভব হয়নি।এর মধ্যে সাহাপাড়া ইউনিয়নের কাশদহ-নান্দিনা খাল খনন প্রকল্পে ওয়েজ কস্ট খাতে ২০ লাখ ৫০ হাজার ৪৯২ টাকা এবং নন-ওয়েজ কস্ট খাতে ২০ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬৪ টাকা বরাদ্দ ছিল। বর্ষা শুরু হয়ে যাওয়ায় প্রকল্পটির কোনো কাজই বাস্তবায়ন করা যায়নি। ফলে মোট ৪১ লাখ ২৪ হাজার ৫৬ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হয়েছে।অন্যদিকে, বোয়ালী ইউনিয়নের প্রায় ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের কিছু অংশ বাস্তবায়িত হলেও প্রায় ১০০ মিটার কাজ অসম্পন্ন থেকে যায়। এ প্রকল্পে ওয়েজ কস্ট খাতে অব্যয়িত ৭ লাখ ১৪ হাজার ১৮ টাকা এবং নন-ওয়েজ কস্ট খাতে অব্যয়িত ৮ লাখ ৯৪ হাজার ৩৬৯ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।দুটি প্রকল্প মিলিয়ে মোট ৫৭ লাখ ৩২ হাজার ৪৪৩ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়।এ বিষয়ে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বলেন, "বরাদ্দ নির্ধারিত সময়ের পরে পাওয়ায় বর্ষা মৌসুম শুরু হয়ে যায়। ফলে খাল খননের কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী অব্যয়িত অর্থ ৩ আগস্ট সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।"সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্প দুটি নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়িত হলে বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষি জমিতে সেচ ও উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত। তবে প্রশাসনিক বিলম্ব ও মৌসুমি প্রতিকূলতার কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় উন্নয়ন কার্যক্রম প্রত্যাশিত সুফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফলে সরকারি বিধি অনুসরণ করে অব্যয়িত অর্থ কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

GTV

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


গাইবান্ধা সদরে খাল খনন না হওয়ায় সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ৫৭ লাখ টাকা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধা সদরে খাল খনন না হওয়ায় সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ৫৭ লাখ টাকা

গাইবান্ধা থেকে মোঃ আবু জাফর মন্ডল:

গাইবান্ধা সদর উপজেলার দুটি খাল খনন প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হওয়ায় সরকারের বরাদ্দকৃত ৫৭ লাখ ৩২ হাজার ৪৪৩ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ বিলম্বে পাওয়া এবং এরই মধ্যে বর্ষা মৌসুম শুরু হয়ে যাওয়ায় প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।সোমবার (৩ আগস্ট) উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সদর উপজেলার দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের জন্য ওয়েজ কস্ট (শ্রমিকের মজুরি) এবং নন-ওয়েজ কস্ট (যন্ত্রপাতি, জ্বালানি, সরঞ্জাম ও অন্যান্য ব্যয়) খাতে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে বরাদ্দ নির্ধারিত সময়ে না পৌঁছানোয় প্রকল্পের কাজ শুরু ও শেষ করা সম্ভব হয়নি।এর মধ্যে সাহাপাড়া ইউনিয়নের কাশদহ-নান্দিনা খাল খনন প্রকল্পে ওয়েজ কস্ট খাতে ২০ লাখ ৫০ হাজার ৪৯২ টাকা এবং নন-ওয়েজ কস্ট খাতে ২০ লাখ ৭৩ হাজার ৫৬৪ টাকা বরাদ্দ ছিল। বর্ষা শুরু হয়ে যাওয়ায় প্রকল্পটির কোনো কাজই বাস্তবায়ন করা যায়নি। ফলে মোট ৪১ লাখ ২৪ হাজার ৫৬ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হয়েছে।অন্যদিকে, বোয়ালী ইউনিয়নের প্রায় ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পের কিছু অংশ বাস্তবায়িত হলেও প্রায় ১০০ মিটার কাজ অসম্পন্ন থেকে যায়। এ প্রকল্পে ওয়েজ কস্ট খাতে অব্যয়িত ৭ লাখ ১৪ হাজার ১৮ টাকা এবং নন-ওয়েজ কস্ট খাতে অব্যয়িত ৮ লাখ ৯৪ হাজার ৩৬৯ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।দুটি প্রকল্প মিলিয়ে মোট ৫৭ লাখ ৩২ হাজার ৪৪৩ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়।এ বিষয়ে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বলেন, "বরাদ্দ নির্ধারিত সময়ের পরে পাওয়ায় বর্ষা মৌসুম শুরু হয়ে যায়। ফলে খাল খননের কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী অব্যয়িত অর্থ ৩ আগস্ট সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।"সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্প দুটি নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়িত হলে বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষি জমিতে সেচ ও উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত। তবে প্রশাসনিক বিলম্ব ও মৌসুমি প্রতিকূলতার কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় উন্নয়ন কার্যক্রম প্রত্যাশিত সুফল থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফলে সরকারি বিধি অনুসরণ করে অব্যয়িত অর্থ কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।


GTV

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত গোল্ডেন টেলিভিশন লিমিটেড রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার: C-214949/2026 শিব শংকর মনি দাস Managing Director আকাশ শীল Director
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
গাইবান্ধা সদরে খাল খনন না হওয়ায় সরকারি কোষাগারে ফেরত গেল ৫৭ লাখ টাকা
0:00 0:00
1.0x