ঢাকা    মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
ঢাকা    মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
GTV

জাতীয়/গণঅভ্যুত্থান ২৪ গুলশান-বনানীতে ব্যতিক্রমী ‘বিক্ষোভ মিছিল’: ফ্যাসিবাদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদ


প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

জাতীয়/গণঅভ্যুত্থান ২৪ গুলশান-বনানীতে ব্যতিক্রমী ‘বিক্ষোভ মিছিল’: ফ্যাসিবাদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদ

জাতীয়/গণঅভ্যুত্থান ২৪ গুলশান-বনানীতে ব্যতিক্রমী ‘বিক্ষোভ মিছিল’: ফ্যাসিবাদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদ

সাইফ উল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার::

২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঢাকা মহানগর উত্তরের গুলশান ও বনানী এলাকায় স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন ও ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন অকুতোভয় ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদ। আন্দোলনের চরম মুহূর্তে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে এবং সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে তীব্র ব্যঙ্গাত্মক ক্ষোভ প্রকাশ করতে তিনি রাজপথে নামিয়েছিলেন ঐতিহাসিক ‘বিক্ষোভ মিছিল’। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার এই কৃতী সন্তান চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ঢাকা মহানগর উত্তরে অন্যতম অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেন। যখন চারদিকে বুলেটের আতঙ্ক এবং সাধারণ মানুষের সভা-সমাবেশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা, তখন গুলশান ও বনানীর মতো কূটনৈতিক এবং ভিআইপি এলাকায় এই ব্যতিক্রমী মিছিলের ডাক দেন ইয়াসিন আহমেদ।

 " নেই প্রচারের আলো, নেই কোনো অহংকার; দেশপ্রেম আর সততাই ইয়াসিনের একমাত্র শক্তি "

নীরব সাধক ও সততার মূর্ত প্রতীক: সাধারণত বড় আন্দোলনের পর অনেকেই নিজের অবদান প্রচার করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, কিন্তু ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। রাজপথের সেই উত্তাল দিনগুলোতে দেশ ও মানুষের মুক্তির জন্য তিনি দিন-রাত যে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা আজ পর্যন্ত তিনি কাউকে বুঝতে দেননি। প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকা এই লড়াকু তরুণের অন্তরে রয়েছে কেবল দেশের প্রতি গভীর টান এবং সততার এক নিখাদ ভালোবাসা। কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ বা লোভের লালসা তাকে স্পর্শ করতে পারেনি।আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতা জানান, এই ‘বিক্ষোভ মিছিল’ ছিল তৎকালীন ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার মুখে এক প্রচণ্ড চপেটাঘাত। ইয়াসিন আহমেদের এমন কৌশলী ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে গুলশান-বনানী অঞ্চলের সাধারণ মানুষ এবং শ্রমজীবী সমাজ দলে দলে রাজপথে নেমে আসে। সরকারের সব বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এই কর্মসূচি পুরো ঢাকা মহানগর উত্তরের আন্দোলনকে এক নতুন গতিবেগ দিয়েছিল। ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে ধর্মপাশার সন্তান ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদের এই অসমসাহসী, সৃজনশীল এবং নিঃস্বার্থ প্রতিবাদী ভূমিকা চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে এক অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

GTV

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


জাতীয়/গণঅভ্যুত্থান ২৪ গুলশান-বনানীতে ব্যতিক্রমী ‘বিক্ষোভ মিছিল’: ফ্যাসিবাদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদ

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জাতীয়/গণঅভ্যুত্থান ২৪ গুলশান-বনানীতে ব্যতিক্রমী ‘বিক্ষোভ মিছিল’: ফ্যাসিবাদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদ

সাইফ উল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার::

২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঢাকা মহানগর উত্তরের গুলশান ও বনানী এলাকায় স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন ও ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন অকুতোভয় ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদ। আন্দোলনের চরম মুহূর্তে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে এবং সরকারের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে তীব্র ব্যঙ্গাত্মক ক্ষোভ প্রকাশ করতে তিনি রাজপথে নামিয়েছিলেন ঐতিহাসিক ‘বিক্ষোভ মিছিল’। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার এই কৃতী সন্তান চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ঢাকা মহানগর উত্তরে অন্যতম অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেন। যখন চারদিকে বুলেটের আতঙ্ক এবং সাধারণ মানুষের সভা-সমাবেশের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা, তখন গুলশান ও বনানীর মতো কূটনৈতিক এবং ভিআইপি এলাকায় এই ব্যতিক্রমী মিছিলের ডাক দেন ইয়াসিন আহমেদ।

 " নেই প্রচারের আলো, নেই কোনো অহংকার; দেশপ্রেম আর সততাই ইয়াসিনের একমাত্র শক্তি "

নীরব সাধক ও সততার মূর্ত প্রতীক: সাধারণত বড় আন্দোলনের পর অনেকেই নিজের অবদান প্রচার করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, কিন্তু ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। রাজপথের সেই উত্তাল দিনগুলোতে দেশ ও মানুষের মুক্তির জন্য তিনি দিন-রাত যে অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা আজ পর্যন্ত তিনি কাউকে বুঝতে দেননি। প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকা এই লড়াকু তরুণের অন্তরে রয়েছে কেবল দেশের প্রতি গভীর টান এবং সততার এক নিখাদ ভালোবাসা। কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ বা লোভের লালসা তাকে স্পর্শ করতে পারেনি।আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতা জানান, এই ‘বিক্ষোভ মিছিল’ ছিল তৎকালীন ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার মুখে এক প্রচণ্ড চপেটাঘাত। ইয়াসিন আহমেদের এমন কৌশলী ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে গুলশান-বনানী অঞ্চলের সাধারণ মানুষ এবং শ্রমজীবী সমাজ দলে দলে রাজপথে নেমে আসে। সরকারের সব বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এই কর্মসূচি পুরো ঢাকা মহানগর উত্তরের আন্দোলনকে এক নতুন গতিবেগ দিয়েছিল। ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে ধর্মপাশার সন্তান ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদের এই অসমসাহসী, সৃজনশীল এবং নিঃস্বার্থ প্রতিবাদী ভূমিকা চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে এক অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর /সুব্রত দাস সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার নিবাহী সম্পাদক: শুুকান্ত মিএ নির্বাহী পরিচালক: টুটুল মাহেন্তি
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
জাতীয়/গণঅভ্যুত্থান ২৪ গুলশান-বনানীতে ব্যতিক্রমী ‘বিক্ষোভ মিছিল’: ফ্যাসিবাদের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন ছাত্রনেতা ইয়াসিন আহমেদ
0:00 0:00
1.0x