চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চান বাউল সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
বাউল সংগঠনের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি, মারধর, হুমকি কিংবা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না—এমন কঠোর বার্তা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বাউল সংগঠন সম্মিলিত জোটের নেতৃবৃন্দ।
তাদের অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ চক্র বাউল সংগঠনের পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টি, চাঁদা দাবি, শিল্পী ও সংগঠনের সদস্যদের হুমকি এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু বাউল সমাজের ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন করছে না, বরং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি সৃষ্টি করছে বলে দাবি তাদের।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বাউল সংগঠন কোনো অপরাধী চক্রের আড়াল হতে পারে না। সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, হামলা, হুমকি কিংবা নারী ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করলে তার বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুনয় করে বলেন, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে হবে। কেউ অপরাধী হলে তার পরিচয় বা সাংগঠনিক অবস্থান বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে নিরপরাধ কাউকে যেন হয়রানি করা না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।
বাউল সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হলে ভবিষ্যতে অন্য কেউ বাউল সংগঠনের নাম ব্যবহার করে অপরাধ করার সাহস পাবে না।
তাদের দাবি, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বাউল শিল্পী, সংগঠনের সদস্য ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো এবং অভিযোগগুলোর দ্রুত তদন্ত করা হোক।
তারা স্পষ্ট করে বলেন, অপরাধী যে-ই হোক, সংগঠনের নাম যত বড়ই হোক—আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও ভয়ভীতির রাজনীতি বন্ধ করতেই হবে।