ঢাকা    সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
ঢাকা    সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
GTV

অপহরণকৃত কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছেন উপজেলা কর্মকর্তা এবং সমাজসেবা অফিসার


প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

অপহরণকৃত কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছেন উপজেলা কর্মকর্তা এবং সমাজসেবা অফিসার

শ্রেণিকক্ষের সংকটসহ নানা সমস্যায় কামারজানী বনিক ফাজিল মাদ্রাসা

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

রাতভর অভিযান শেষে ক্লান্ত শরির নিয়ে সকালেই মাঠে গাইবান্ধা ডিবি পুলিশ

বাসুদেবপুর চন্দ্র কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজে মৃত্যু ও অবসরজনিত বিদায়

স্থানীয় নির্বাচনে অনিয়মের সুযোগ না দেওয়ার ঘোষণা, বাস্তবায়ন নিয়ে থাকছে প্রশ্ন

অপহরণকৃত কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছেন উপজেলা কর্মকর্তা এবং সমাজসেবা অফিসার

উখিয়া থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া) 

অদ্য ০২/১০/২৬ইং রোজ;শুক্রবার,

হেফাজখানা পড়ুয়া ছাত্রী একালাকার কিছু বকাটে ছেলে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে মাদ্রাসা থেকে বাহির করে কোটবাজারের পশ্চিম রত্না দিকে নিয়ে যায়। বেশ কিছু সময় পরে মেয়েটিকে মাঝ পথে ছেড়ে দেয় বলে জানায় যারা তাকে ঘটনা স্থানে পান। যারা তাকে পায়,তাঁরা জানায় যে কন্যা শিশুটি পথ হারিয়ে ফেলেছি বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীদের।সে বলে যে,আমাকে কিছু ছেলে এখানে এনেছে।আমি তাদের কথা শুনে আসি।তাঁরা আমার পরিচিত ছিলো বলে জানায় সে।তাঁরা চিনাজানা থাকায় চকলেট দিবে বলে আমাকে নিয়ে আসে।কিন্তু তাঁরা আচরণ খারাপ করে আসার পথে এবং খারাপ ভাবে স্পর্শ করে। আমি তা শুনে, বুঝে চিৎকার করায় এখানে ফেলে চলে যায় তাঁরা।কিন্তু আমি বাড়ির রাস্তা চিনতে পারছি না বলে জানালে প্রত্যক্ষদর্শীরা  তখন পশ্চিম রত্না থেকে জরুরি নাম্বার  ১০৯৮ ও ৯৯৯ ফোন করে  খরব দেন বিস্তারিত জানিয়ে।এরপর  উখিয়া থানা বিষয়টি জেনে উখিয়া উপজেলা কর্মকর্তাকে জানায়।পক্ষান্তে উপজেলা কর্মকর্তা পান্না আক্তার  উপজেলা সমাজসেবা অফিসারকেও বিষয়টি আবগত করেন। পরে যৌথ পরিচালনায় মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তাঁর সহকর্মী মোহাম্মদ শাহেদকে নির্দেশ দেন যে,উদ্ধারকৃত শিশুটির পরিবারের খোঁজ নিতে।ঘটনা স্থলে গিয়ে শিশু পরিবার সংক্রান্ত খোঁজ নিলে খবর পায় রত্নাপালং খোন্দকার পাড়ায় শিশুর পরিবার অস্থায়ী ভাবে বসবাস করে আসছে বহুকাল থেকে।কন্যা শিশুটির স্থায়ী বাড়ী বরিশাল ভোলাতে। মেয়েটির বাবা পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা। 

ঝালমুড়ি বিক্রি করে কক্সবাজারে। তাঁর পরিবারের তথ্য নিয়ে তাঁর পরিবারকে বিষয়টি জানিয়ে খবর দিলে তাঁর পরিবার  তা শুনে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে এবং মেয়েকে পেতে সহযোগিতা কামনা করে।পরে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন এবং সমাজসেবা অফিসারের সহযোগিতায় মেয়েটিকে পরিবারের মাঝে ফিরিয়ে দেন সমাজসেবা অফিসের মোহাম্মদ শাহেদ এর মাধ্যমে।উদ্ধারকৃত শিশুটির পরিবার বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেন।

সেই সাথে পরিবারটি শিশুকে পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে উখিয়া থানা,উখিয়া উপজেলা প্রশাসনকে,সমাজসেবা অফিসারসহ সবার প্রতি।

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা  যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।  ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।  সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

GTV

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


অপহরণকৃত কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছেন উপজেলা কর্মকর্তা এবং সমাজসেবা অফিসার

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

অপহরণকৃত কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছেন উপজেলা কর্মকর্তা এবং সমাজসেবা অফিসার

উখিয়া থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া) 

অদ্য ০২/১০/২৬ইং রোজ;শুক্রবার,

হেফাজখানা পড়ুয়া ছাত্রী একালাকার কিছু বকাটে ছেলে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে মাদ্রাসা থেকে বাহির করে কোটবাজারের পশ্চিম রত্না দিকে নিয়ে যায়। বেশ কিছু সময় পরে মেয়েটিকে মাঝ পথে ছেড়ে দেয় বলে জানায় যারা তাকে ঘটনা স্থানে পান। যারা তাকে পায়,তাঁরা জানায় যে কন্যা শিশুটি পথ হারিয়ে ফেলেছি বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীদের।সে বলে যে,আমাকে কিছু ছেলে এখানে এনেছে।আমি তাদের কথা শুনে আসি।তাঁরা আমার পরিচিত ছিলো বলে জানায় সে।তাঁরা চিনাজানা থাকায় চকলেট দিবে বলে আমাকে নিয়ে আসে।কিন্তু তাঁরা আচরণ খারাপ করে আসার পথে এবং খারাপ ভাবে স্পর্শ করে। আমি তা শুনে, বুঝে চিৎকার করায় এখানে ফেলে চলে যায় তাঁরা।কিন্তু আমি বাড়ির রাস্তা চিনতে পারছি না বলে জানালে প্রত্যক্ষদর্শীরা  তখন পশ্চিম রত্না থেকে জরুরি নাম্বার  ১০৯৮ ও ৯৯৯ ফোন করে  খরব দেন বিস্তারিত জানিয়ে।এরপর  উখিয়া থানা বিষয়টি জেনে উখিয়া উপজেলা কর্মকর্তাকে জানায়।পক্ষান্তে উপজেলা কর্মকর্তা পান্না আক্তার  উপজেলা সমাজসেবা অফিসারকেও বিষয়টি আবগত করেন। পরে যৌথ পরিচালনায় মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তাঁর সহকর্মী মোহাম্মদ শাহেদকে নির্দেশ দেন যে,উদ্ধারকৃত শিশুটির পরিবারের খোঁজ নিতে।ঘটনা স্থলে গিয়ে শিশু পরিবার সংক্রান্ত খোঁজ নিলে খবর পায় রত্নাপালং খোন্দকার পাড়ায় শিশুর পরিবার অস্থায়ী ভাবে বসবাস করে আসছে বহুকাল থেকে।কন্যা শিশুটির স্থায়ী বাড়ী বরিশাল ভোলাতে। মেয়েটির বাবা পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা। 

ঝালমুড়ি বিক্রি করে কক্সবাজারে। তাঁর পরিবারের তথ্য নিয়ে তাঁর পরিবারকে বিষয়টি জানিয়ে খবর দিলে তাঁর পরিবার  তা শুনে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে এবং মেয়েকে পেতে সহযোগিতা কামনা করে।পরে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন এবং সমাজসেবা অফিসারের সহযোগিতায় মেয়েটিকে পরিবারের মাঝে ফিরিয়ে দেন সমাজসেবা অফিসের মোহাম্মদ শাহেদ এর মাধ্যমে।উদ্ধারকৃত শিশুটির পরিবার বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেন।

সেই সাথে পরিবারটি শিশুকে পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে উখিয়া থানা,উখিয়া উপজেলা প্রশাসনকে,সমাজসেবা অফিসারসহ সবার প্রতি।


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
অপহরণকৃত কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছেন উপজেলা কর্মকর্তা এবং সমাজসেবা অফিসার
0:00 0:00
1.0x