অপহরণকৃত কন্যা শিশুকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছেন উপজেলা কর্মকর্তা এবং সমাজসেবা অফিসার
উখিয়া থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি (কামরুন তানিয়া)
অদ্য ০২/১০/২৬ইং রোজ;শুক্রবার,
হেফাজখানা পড়ুয়া ছাত্রী একালাকার কিছু বকাটে ছেলে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে মাদ্রাসা থেকে বাহির করে কোটবাজারের পশ্চিম রত্না দিকে নিয়ে যায়। বেশ কিছু সময় পরে মেয়েটিকে মাঝ পথে ছেড়ে দেয় বলে জানায় যারা তাকে ঘটনা স্থানে পান। যারা তাকে পায়,তাঁরা জানায় যে কন্যা শিশুটি পথ হারিয়ে ফেলেছি বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীদের।সে বলে যে,আমাকে কিছু ছেলে এখানে এনেছে।আমি তাদের কথা শুনে আসি।তাঁরা আমার পরিচিত ছিলো বলে জানায় সে।তাঁরা চিনাজানা থাকায় চকলেট দিবে বলে আমাকে নিয়ে আসে।কিন্তু তাঁরা আচরণ খারাপ করে আসার পথে এবং খারাপ ভাবে স্পর্শ করে। আমি তা শুনে, বুঝে চিৎকার করায় এখানে ফেলে চলে যায় তাঁরা।কিন্তু আমি বাড়ির রাস্তা চিনতে পারছি না বলে জানালে প্রত্যক্ষদর্শীরা তখন পশ্চিম রত্না থেকে জরুরি নাম্বার ১০৯৮ ও ৯৯৯ ফোন করে খরব দেন বিস্তারিত জানিয়ে।এরপর উখিয়া থানা বিষয়টি জেনে উখিয়া উপজেলা কর্মকর্তাকে জানায়।পক্ষান্তে উপজেলা কর্মকর্তা পান্না আক্তার উপজেলা সমাজসেবা অফিসারকেও বিষয়টি আবগত করেন। পরে যৌথ পরিচালনায় মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তাঁর সহকর্মী মোহাম্মদ শাহেদকে নির্দেশ দেন যে,উদ্ধারকৃত শিশুটির পরিবারের খোঁজ নিতে।ঘটনা স্থলে গিয়ে শিশু পরিবার সংক্রান্ত খোঁজ নিলে খবর পায় রত্নাপালং খোন্দকার পাড়ায় শিশুর পরিবার অস্থায়ী ভাবে বসবাস করে আসছে বহুকাল থেকে।কন্যা শিশুটির স্থায়ী বাড়ী বরিশাল ভোলাতে। মেয়েটির বাবা পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা।
ঝালমুড়ি বিক্রি করে কক্সবাজারে। তাঁর পরিবারের তথ্য নিয়ে তাঁর পরিবারকে বিষয়টি জানিয়ে খবর দিলে তাঁর পরিবার তা শুনে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে এবং মেয়েকে পেতে সহযোগিতা কামনা করে।পরে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন এবং সমাজসেবা অফিসারের সহযোগিতায় মেয়েটিকে পরিবারের মাঝে ফিরিয়ে দেন সমাজসেবা অফিসের মোহাম্মদ শাহেদ এর মাধ্যমে।উদ্ধারকৃত শিশুটির পরিবার বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেন।
সেই সাথে পরিবারটি শিশুকে পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে উখিয়া থানা,উখিয়া উপজেলা প্রশাসনকে,সমাজসেবা অফিসারসহ সবার প্রতি।