মুন্সিগঞ্জ সদর থানা ঘিরে বেড়েছে দালালের দৌরাত্ম্য সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি।
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ সুজন বেপারী - মুন্সিগঞ্জ সদর থানার চার-পাশে বেড়েছে দালালদের দৌরাত্ম্য ও সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি পুলিশের নানা অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধান ও একটি সংস্থার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা কাজে মিল পেলে সোজা চলে যায় কম্পিউটার দোকানে। সেখানে গিয়ে মামলা বা অভিযোগ লেখার কম্পিউটার খরচ ও পুলিশের নাম ভাঙিয়ে মোটা অংকের টাকা ও নানা অযুহাত দেখিয়ে নেয় দালালরা। সেখানে অর্থ আত্মসাৎসহ জায়গা-জমি দখল ও দখলমুক্ত করতে বিভিন্ন সমাধান করা হচ্ছে চুক্তির বিনিময়ে দালালচক্রের দ্বিতীয় ফাঁদে জিম্মি সাধারণ মানুষ ও সকল মামলা বা অভিযোগের বাদী বিবাদীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে থাকে দালালরা। এতে সাংবাদিক ও পুলিশের সুনামক্ষুন্ন অন্যদিকে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বেড়েছে, দালালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (ক্রাইম এন্ড অপস) কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন মোঃ কামরান হোসেন মহোদয়।
সদরে কয়েকটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ সুজন বেপারী কে বলেন, সাধারণ মানুষ থানায় সেবা নিতে এসে অনেক সময় নিরাশ হয়ে ফিরে যান। টাকার বিনিময়ে দালাল ধরলে মেলে সেবা। দালাল না ধরলে পুলিশও সেবা দিতে আগ্রহ দেখায় না। বিচার সালিশ এবংকি থানা হাজতে চলছে আসামির সঙ্গে সার্বক্ষণিক সাক্ষাৎ এর চিত্র।
০৮ আগষ্ট শনিবার মুন্সিগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (ক্রাইম এন্ড অপস) মোঃ কামরান হোসেন মহোদয় এবিষয়ে বলেন, সাধারণ মানুষ থানায় না আসলেও পারে যেহেতু অনলাইনে জিডি করতে পারেন ঘরে বসে, অনলাইনে সাধারণ ডায়েরির (জিডি) আবেদন গ্রহণ ও সেবা প্রদান কার্যক্রম চালু রয়েছে। পুলিশ জনগণের বন্ধু’, ‘সেবায় পুলিশের ধর্ম’ থানায় সেবাপ্রার্থীদের যথাযথভাবে যাতে সেবা দেওয়া হয় যেহেতু দালালদের ব্যাপারে থানা-পুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দালালদের কোন স্থান হবে না। সাধারণ মানুষকে দালালদের সাথে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকতে হবে। কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।