গ্রাম থেকে তারকা সংগীত প্রতিযোগিতায় প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শিল্পী বিভা
শাহিন বিশেষ প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় গীতিকার রাজ আলমগীর-এর পরিচালনায় গ্রাম থেকে তারকা সংগীত প্রতিযোগিতায় ফাইনাল রাউন্ডে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শিশু শিল্পী বিভা। প্রথম রানারআপ শিল্পী বাসার, এবং দ্বিতীয় রানারআপ শিল্পী হয়েছেন নাহিদ ইসলাম।।
প্রথম, এবং দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে সেরা দশ জন প্রতিযোগি শিল্পীদের নিয়ে শনিবার (০১ আগষ্ট) দুর্গাপুর উপজেলা হলরুমে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে তৃতীয় রাউন্ডের মধ্যমে গ্রাম থেকে তারকা খুঁজে বের করার অবিরাম প্রচেষ্টা। প্রথম দশ জনের ভেতর ৪ জন, পরে, ৩ জনের ভেতর থেকে প্রথম চ্যাম্পিয়ন টফি লুফে নেয় শিশু শিল্পী বিভা।
গৌরবের এ অর্জন হাতে পেয়ে শিল্পী বিভা বলেন, আমি খুবই আনন্দিত আমি অনেক আশাবাদী ছিলাম এ প্রতিযোগিতাকে ঘিরে, পরিচালক রাজ আলমগীর ও বিচারক যারা ছিলেন তাদের প্রতি আমি চির কৃতজ্ঞত, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন আমার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি।
এসময় উপস্থিত দর্শক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের প্রসংশায় মুখরিত হয় গ্রাম থেকে তারকা চ্যাম্পিয়ন বিভা, পরিচালক রাজ আলমগীর ও বিচারকরা।
ফলাফল ঘোষণার পর গ্রাম থেকে তারকার পক্ষ থেকে বিজয়ী শিল্পীদের হাতে একটি করে সনদপত্র ও ক্রেস তুলে দেন বিচারক এবং পরিচালক রাজ আলমগীর। সেই সাথে চ্যাম্পিয়ন বিভা সহ রানারআপ দুই শিল্পীকে মৌলিক গান করার মানুষিক প্রস্তুতি নিতে বলেন রাজ আলমগীর।
এসময় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা রামপুরা মহানগর থেকে আগত (চ্যানেল এস) আধুনিক সংগীত শিল্পী ফারিহা মিম। মো. মশিউর রহমান গীতিকার আধুনিক গান বাংলাদেশ বেতার রাজশাহী, এবং বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মইনুল ইসলাম রঞ্জু।
বিচারক, সংগীত শিল্পী ফারিহা মিম বলেন, ঢাকা থেকে এসে গ্রাম থেকে তারকা সংগীত আয়োজনে অংশ নিয়ে খুবই ভালো লাগছে, গ্রামে এত সুমধুর কন্ঠ লুকিয়ে ছিলো আমার জানা ছিলোনা, সবাই খুব ভালো গান গেয়েছে, প্রথমে ভেবেই পাচ্ছিলাম না কে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হবে, অবশেষে গ্রাম থেকে তারকা খুঁজে পেয়েছি।
বিচারক মাইনুল ইসলাম রঞ্জু ও মশিউর রহমান বলেন, এ প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ড থেকে ফাইনাল রাউন্ড পর্যন্ত ছিলাম, গ্রামের এই শিল্পীরা দেখিয়ে দিয়েছে তারা বিশ্ব মঞ্চে গান গাইবার যোগ্যতা রাখে, সবাই নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে তার প্রতিভা তুলে ধরেছে আমরা এর ভেতর থেকে সেরা এক জনকে বেঁছে নিয়েছি।
গ্রাম থেকে তারকা খুঁজে পেয়ে পরিচালক রাজ আলমগীর বলেন, আমি যে উদ্দেশ্য এ প্রতিযোগিতার আয়োজন শুরু করে ছিলাম আজ তার প্রথম রাউন্ড সম্পূর্ণ হলো এবং গ্রামে লুকিয়ে থাকা তারকা আমরা খুঁজে পেলাম। এ অনুষ্ঠান পরিপূর্ণ করতে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা ফারজানা স্যার যথেষ্ট সহোযোগিতা করেছেন এ জন্য তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বিচারক, মিউজিশিয়ান, উপস্থাপক, সহ উপস্থিত সবার সার্বিক সহযোগিতায় ফাইনাল রাউন্ড আমরা শেষ করতে পেরেছি। গ্রাম থেকে তারকা সংগীত প্রতিযোগিতার ধারাবাহিক কার্যক্রম চলমান থাকবে, যারা শ্রম দিয়ে পাশে ছিলেন তাদের সবাইকে সাথে নিয়ে আগামীতে আমরা আরও বহুদূর যাওয়ার আশা করছি।
সবশেষে দেশবরেণ্য গীতিকার ও সুরকার বিশিষ্ট সংগীত পরিচালক মিল্টন খন্দকার এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কথা শেষ করেন পরিচালক গীতিকার রাজ আলমগীর।।