ঢাকা    সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
ঢাকা    সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
GTV

মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা যে কোন সময় পদ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় মহিউদ্দিন।


প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা যে কোন সময় পদ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় মহিউদ্দিন।

শ্রেণিকক্ষের সংকটসহ নানা সমস্যায় কামারজানী বনিক ফাজিল মাদ্রাসা

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

রাতভর অভিযান শেষে ক্লান্ত শরির নিয়ে সকালেই মাঠে গাইবান্ধা ডিবি পুলিশ

বাসুদেবপুর চন্দ্র কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজে মৃত্যু ও অবসরজনিত বিদায়

স্থানীয় নির্বাচনে অনিয়মের সুযোগ না দেওয়ার ঘোষণা, বাস্তবায়ন নিয়ে থাকছে প্রশ্ন

মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা যে কোন সময় পদ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় মহিউদ্দিন। 

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ সুজন বেপারী - বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ইলেকশনে গত ১২ই ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় সদস্য সচিব দুঃসময়ের নেতা মো. মহিউদ্দিন সাহেবকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।গোয়েন্দা রিপোর্টে বহিষ্কারকৃত বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত ও প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে বরাবর লিখিত আবেদনে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় যে কোন সময় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে দলের হাইকমান্ড বা দপ্তরে লিখিত আবেদন করলে এবং দলীয় নীতিনর্ধারক ও হাইকমান্ডের বিবেচনায় তা সন্তোষজনক হলে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয় বলে জানিয়েছেন। মুন্সিগঞ্জ এক ও মুন্সিগঞ্জ তিন আসনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে এবং বিএনপির প্রতীক ‘ধানের শীষের’ বিপক্ষে নির্বাচন করায় আহ্বায়ক কমিটির অন্তত ১১ থেকে ১২ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি বিলুপ্তসহ আরও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়।জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির নতুন কমিটি যে কোন সময় তথ্যসূত্রে জানাগেছে বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি এখনও মহাসংকট রয়েছেন। দ্রুত নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন জেলা তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা।গত ০৬ জুন ২০২৫ সালে জেলা বিএনপি’র ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি দায়িত্ব পদে হলেন যারা ১. আহবায়ক মিজানুর রহমান সিনহা ২. সদস্য সচিব মহিউদ্দিন আহম্মেদ ৩. সদস্য শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ৪. সদস্য মো: শহীদুল ইসলাম মৃধা ৫. সদস্য আ: বাতেন খান শামীম ৬. সদস্য সৈয়দ সিদ্দিক উল্লাহ ফরিদ ৭. সদস্য রহিমা শিকদার ৮. সদস্য মো: আমির হোসেন দোলন ৯. সদস্য মো: আতোয়ার হোসেন বাবুল১০. সদস্য এ কে এম ইরাদত মানু ১১. সদস্য মো: জসিম উদ্দিন ১২. সদস্য মো: শহীদুল ইসলাম ১৩. সদস্য আতাউর রহমান মল্লিক ১৪. সদস্য অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিন ১৫. সদস্য সাইদুর রহমান ফকির ১৬. সদস্য হাবিবুর রহমান অপু চাকলাদার ১৭. সদস্য এম হায়দার আলী ১৮. সদস্য এম হাফিজুল ইসলাম খান ১৯. সদস্য শাহজাহান বেপারী ২০. সদস্য আলহাজ্ব মমিন আলী ২১. সদস্য আব্দুল কুদ্দুস ধিরন ২২. সদস্য এম শুভ আহমেদ ২৩. সদস্য আব্দুস সালাম মোল্লা ২৪. সদস্য ওমর ফারুক অবাক ২৫. সদস্য সুলতান আহমেদ ২৬. সদস্য আনোয়ার হোসেন ভুইয়া২৭. সদস্য দুলাল দাস ২৮. সদস্য মাসেকুর রহমান দুলু ২৯. সদস্য মো: মজিবুর রহমান৩০. সদস্য আবু বাক্কার মাদবর ৩১. সদস্য মো: ওবায়দুল রহমান বকুল ৩২. সদস্য হাজী মো: রাশেদ ৩৩. সদস্য বোরহান উদ্দিন ভুইয়া৩৪. সদস্য জহিরুল ইসলাম লেলিন ৩৫. সদস্য মনিরুজ্জামান মনির ৩৬. সদস্য মো: ফারুক হোসেন মোড়ল ৩৭. সদস্য শেখ জামাল৩৮. সদস্য মো: রফিকুল ইসলাম মাসুম (ভিপি)৩৯. সদস্য মো: ইসহাক আলী (চেয়ারম্যান)৪০. সদস্য মেজর (অব:) মাসুদুর রহমান কাইয়ুম ৪১. সদস্য মো: দেলোয়ার হোসেন৪২. সদস্য মো: মোশারফ হোসেন পুস্তি৪৩. সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল ৪৪. সদস্য মো: আবু সুফিয়ান কাজী বিপ্লব ৪৫. সদস্য মো: মাহবুবুর রহমান খান ৪৬. সদস্য আতাউর হাওলাদার ৪৭. সদস্য নুরে আলম ঢালী ৪৮. সদস্য মো: আহসান উল্ল্যাহ্ ৪৯. সদস্য মো: শাহাদাৎ হোসেন সরকার ৫০. সদস্য ঢালী মো: ওয়াহিদ ৫১. সদস্য মুহাম্মদ মাসুদ ফারুক ৫২. সদস্য শামীম হাবিব ৫৩. সদস্য আওলাদ হোসেন উজ্জল ৫৪. সদস্য এডভোকেট জসিম মোল্লা ৫৫. সদস্য তাজুল ইসলাম ৫৬. সদস্য সেলিনা আক্তার বিনা ৫৭. সদস্য পাপিয়া ইসলাম ৫৮. সদস্য মুকুল আক্তার অনা ৫৯ সদস্য লাকী আক্তার।সামাজিক গণমাধ্যমে একটি তথ্য সূত্রে জানাগেছে মুন্সিগঞ্জ তিন আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, “মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির বিষয়টি মাননীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবগত আছেন। কমিটি গঠনের দায়িত্ব মাননীয় চেয়ারম্যানের। তিনি মুন্সীগঞ্জ বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করে দেবেন বলে আশাবাদী।”মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম ইরাদত মানু বলেন, “দলের চেয়ারম্যান সাহেব যখন মনে করবেন, তখন জেলা বিএনপির নতুন কমিটি হবে এবং নতুন নেতৃত্ব আসবে।”

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা  যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।  ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।  সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

GTV

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা যে কোন সময় পদ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় মহিউদ্দিন।

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা যে কোন সময় পদ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় মহিউদ্দিন। 

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ সুজন বেপারী - বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ইলেকশনে গত ১২ই ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় সদস্য সচিব দুঃসময়ের নেতা মো. মহিউদ্দিন সাহেবকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।গোয়েন্দা রিপোর্টে বহিষ্কারকৃত বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত ও প্রধানমন্ত্রী দপ্তরে বরাবর লিখিত আবেদনে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় যে কোন সময় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে দলের হাইকমান্ড বা দপ্তরে লিখিত আবেদন করলে এবং দলীয় নীতিনর্ধারক ও হাইকমান্ডের বিবেচনায় তা সন্তোষজনক হলে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয় বলে জানিয়েছেন। মুন্সিগঞ্জ এক ও মুন্সিগঞ্জ তিন আসনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে এবং বিএনপির প্রতীক ‘ধানের শীষের’ বিপক্ষে নির্বাচন করায় আহ্বায়ক কমিটির অন্তত ১১ থেকে ১২ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি বিলুপ্তসহ আরও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়।জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির নতুন কমিটি যে কোন সময় তথ্যসূত্রে জানাগেছে বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি এখনও মহাসংকট রয়েছেন। দ্রুত নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন জেলা তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা।গত ০৬ জুন ২০২৫ সালে জেলা বিএনপি’র ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি দায়িত্ব পদে হলেন যারা ১. আহবায়ক মিজানুর রহমান সিনহা ২. সদস্য সচিব মহিউদ্দিন আহম্মেদ ৩. সদস্য শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ৪. সদস্য মো: শহীদুল ইসলাম মৃধা ৫. সদস্য আ: বাতেন খান শামীম ৬. সদস্য সৈয়দ সিদ্দিক উল্লাহ ফরিদ ৭. সদস্য রহিমা শিকদার ৮. সদস্য মো: আমির হোসেন দোলন ৯. সদস্য মো: আতোয়ার হোসেন বাবুল১০. সদস্য এ কে এম ইরাদত মানু ১১. সদস্য মো: জসিম উদ্দিন ১২. সদস্য মো: শহীদুল ইসলাম ১৩. সদস্য আতাউর রহমান মল্লিক ১৪. সদস্য অধ্যাপক গিয়াসউদ্দিন ১৫. সদস্য সাইদুর রহমান ফকির ১৬. সদস্য হাবিবুর রহমান অপু চাকলাদার ১৭. সদস্য এম হায়দার আলী ১৮. সদস্য এম হাফিজুল ইসলাম খান ১৯. সদস্য শাহজাহান বেপারী ২০. সদস্য আলহাজ্ব মমিন আলী ২১. সদস্য আব্দুল কুদ্দুস ধিরন ২২. সদস্য এম শুভ আহমেদ ২৩. সদস্য আব্দুস সালাম মোল্লা ২৪. সদস্য ওমর ফারুক অবাক ২৫. সদস্য সুলতান আহমেদ ২৬. সদস্য আনোয়ার হোসেন ভুইয়া২৭. সদস্য দুলাল দাস ২৮. সদস্য মাসেকুর রহমান দুলু ২৯. সদস্য মো: মজিবুর রহমান৩০. সদস্য আবু বাক্কার মাদবর ৩১. সদস্য মো: ওবায়দুল রহমান বকুল ৩২. সদস্য হাজী মো: রাশেদ ৩৩. সদস্য বোরহান উদ্দিন ভুইয়া৩৪. সদস্য জহিরুল ইসলাম লেলিন ৩৫. সদস্য মনিরুজ্জামান মনির ৩৬. সদস্য মো: ফারুক হোসেন মোড়ল ৩৭. সদস্য শেখ জামাল৩৮. সদস্য মো: রফিকুল ইসলাম মাসুম (ভিপি)৩৯. সদস্য মো: ইসহাক আলী (চেয়ারম্যান)৪০. সদস্য মেজর (অব:) মাসুদুর রহমান কাইয়ুম ৪১. সদস্য মো: দেলোয়ার হোসেন৪২. সদস্য মো: মোশারফ হোসেন পুস্তি৪৩. সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল ৪৪. সদস্য মো: আবু সুফিয়ান কাজী বিপ্লব ৪৫. সদস্য মো: মাহবুবুর রহমান খান ৪৬. সদস্য আতাউর হাওলাদার ৪৭. সদস্য নুরে আলম ঢালী ৪৮. সদস্য মো: আহসান উল্ল্যাহ্ ৪৯. সদস্য মো: শাহাদাৎ হোসেন সরকার ৫০. সদস্য ঢালী মো: ওয়াহিদ ৫১. সদস্য মুহাম্মদ মাসুদ ফারুক ৫২. সদস্য শামীম হাবিব ৫৩. সদস্য আওলাদ হোসেন উজ্জল ৫৪. সদস্য এডভোকেট জসিম মোল্লা ৫৫. সদস্য তাজুল ইসলাম ৫৬. সদস্য সেলিনা আক্তার বিনা ৫৭. সদস্য পাপিয়া ইসলাম ৫৮. সদস্য মুকুল আক্তার অনা ৫৯ সদস্য লাকী আক্তার।সামাজিক গণমাধ্যমে একটি তথ্য সূত্রে জানাগেছে মুন্সিগঞ্জ তিন আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, “মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির বিষয়টি মাননীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবগত আছেন। কমিটি গঠনের দায়িত্ব মাননীয় চেয়ারম্যানের। তিনি মুন্সীগঞ্জ বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করে দেবেন বলে আশাবাদী।”মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম ইরাদত মানু বলেন, “দলের চেয়ারম্যান সাহেব যখন মনে করবেন, তখন জেলা বিএনপির নতুন কমিটি হবে এবং নতুন নেতৃত্ব আসবে।”


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা যে কোন সময় পদ প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় মহিউদ্দিন।
0:00 0:00
1.0x