ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
GTV

মামলা তুলে না নিলে স্বামী-স্ত্রীকে জেলে পাঠানোর হুমকি: আদালত কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ


প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

মামলা তুলে না নিলে স্বামী-স্ত্রীকে জেলে পাঠানোর হুমকি: আদালত কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

ঘোগাদহে জনসম্পৃক্ততায় প্রশংসিত চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক

সুখানপুকুরিতে ৩ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, ১৩ বছরের কিশোর গ্রেপ্তার

শ্রেণিকক্ষের সংকটসহ নানা সমস্যায় কামারজানী বনিক ফাজিল মাদ্রাসা

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

রাতভর অভিযান শেষে ক্লান্ত শরির নিয়ে সকালেই মাঠে গাইবান্ধা ডিবি পুলিশ

মামলা তুলে না নিলে স্বামী-স্ত্রীকে জেলে পাঠানোর হুমকি: আদালত কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা

কুমিল্লায় আদালতের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে পদ ও প্রভাব খাটিয়ে মামলার তদন্ত বাধাগ্রস্ত করা এবং বাদীকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোসাঃ নাছিমা আক্তার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত আবেদন দিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।লিখিত অভিযোগে নাছিমা আক্তার উল্লেখ করেন, তিনি প্রথমে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু অভিযুক্ত মোঃ গোলাম কবির-এর প্রভাবের কারণে থানা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন এবং সি.আর মামলা নং- ৮৩৫/২০২৬ দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য কোতোয়ালি মডেল থানায় প্রেরণ করে।অভিযোগে আরও বলা হয়, গোলাম কবির তার পদ ও প্রভাব ব্যবহার করে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছেন। এ কারণে তদন্তকারী কর্মকর্তা এখনো পর্যন্ত কোনো সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেননি।নাছিমা আক্তারের দাবি, গত ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখে অভিযুক্ত গোলাম কবির এবং সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে ফোন করে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেন। মামলা তুলে না নিলে তাকে এবং তার স্বামীকে ‘মিথ্যা মামলায়’ জড়িয়ে কারাগারে পাঠানো এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।অভিযোগকারী আরও বলেন, কুমিল্লা আদালতে গোলাম কবিরের নামে তার আরও একটি মামলা রয়েছে। গোলাম কবিরের ভয়ে তিনি আদালতে হাজিরা দিতে পারছেন না। অভিযুক্ত বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে ফোন করিয়ে তাকেও আবার জেলে পাঠানোর হুমকি দিচ্ছেন।অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, মোঃ গোলাম কবির পূর্বে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মুন্সিখানায় পেশকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই সময় বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারীদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ঘুষ গ্রহণের কিছু স্থিরচিত্র সাংবাদিকরা সংগ্রহ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এছাড়া নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে গোলাম কবির দীর্ঘ ১০ মাস তার কর্মস্থল থেকে সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখায় প্রেষনে হিসেবে যোগদান করেছেন।নাসিমা আক্তার বলেন পেশকার মোঃ গোলাম কবির কে বিশ্বাস করিয়া তাকে জামিন করার উদ্দেশ্যে কবির  তাহার স্বামী মোস্তফার কাছে এক লক্ষ টাকা চাইলে, স্বামী তাহার উপর বিশ্বাস করিয়া এবং স্ত্রীকে নাছিমাকে দ্রুত জেলখানা হইতে বাহির করার জন্য তাহাকে নগদ ৮০ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে পেশকার আরো ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন সে টাকা দিতে অশকৃতি প্রদান করিলে পেশকার তার স্ত্রী নাসিমেকে জামিনে মুক্তি না করিয়া তাহাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করা বন্ধ করে  দেয় 

অভিযোগকারী আরও বলেন, গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার প্রভাবের কারণে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না। কারও বিরুদ্ধে কিছু বললে তিনি মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেন। তার কথায় যাকে-তাকে মামলা দেওয়া হয়, যাকে-তাকে জেলে পাঠানো হয় বলেও অভিযোগ করেন নাছিমা আক্তার।অভিযোগকারী জানান, গোলাম কবিরের কথিত অনিয়মের প্রমাণ হিসেবে কয়েকটি ছবি এবং সি.আর মামলা নং- ৮৩৫/২০২৬ এর সার্টিফায়েড কপি আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।নাছিমা আক্তার বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ গোলাম কবির এবং সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সংবাদে প্রকাশ করা হবে।

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা  যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।  ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।  সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

যশোরে চেয়ারম্যান প্রার্থী তাই আয়কর উকিলকে হুমকি ও চাঁদাদাবির অভিযোগ বিএনপির কয় নেতার বিরুদ্ধে মালিকুজ্জামান কাকা যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাব করা হয়েছে। এই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। ৪ অক্টবর রোববার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সাথে নিয়ে তার মনোহরপুর বাজারের বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জুয়েল বলেন, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে টাকা দাবি করা হয়। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি জানান, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সাথে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি। পরবর্তীতে জানতে পারেন, ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতায় তালাক ও দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ওই লেনদেনের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি ও আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল,ভাই অভি মুন্সি ও নিকট আত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন।  এ বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার বলেন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সাইফুজ্জামানের বাড়িতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হুমকি কিংবা মারপিটের কোনো ঘটনা ঘটেনি

GTV

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


মামলা তুলে না নিলে স্বামী-স্ত্রীকে জেলে পাঠানোর হুমকি: আদালত কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মামলা তুলে না নিলে স্বামী-স্ত্রীকে জেলে পাঠানোর হুমকি: আদালত কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা

কুমিল্লায় আদালতের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে পদ ও প্রভাব খাটিয়ে মামলার তদন্ত বাধাগ্রস্ত করা এবং বাদীকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোসাঃ নাছিমা আক্তার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত আবেদন দিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।লিখিত অভিযোগে নাছিমা আক্তার উল্লেখ করেন, তিনি প্রথমে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু অভিযুক্ত মোঃ গোলাম কবির-এর প্রভাবের কারণে থানা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন এবং সি.আর মামলা নং- ৮৩৫/২০২৬ দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য কোতোয়ালি মডেল থানায় প্রেরণ করে।অভিযোগে আরও বলা হয়, গোলাম কবির তার পদ ও প্রভাব ব্যবহার করে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করছেন। এ কারণে তদন্তকারী কর্মকর্তা এখনো পর্যন্ত কোনো সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেননি।নাছিমা আক্তারের দাবি, গত ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখে অভিযুক্ত গোলাম কবির এবং সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে ফোন করে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেন। মামলা তুলে না নিলে তাকে এবং তার স্বামীকে ‘মিথ্যা মামলায়’ জড়িয়ে কারাগারে পাঠানো এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।অভিযোগকারী আরও বলেন, কুমিল্লা আদালতে গোলাম কবিরের নামে তার আরও একটি মামলা রয়েছে। গোলাম কবিরের ভয়ে তিনি আদালতে হাজিরা দিতে পারছেন না। অভিযুক্ত বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে ফোন করিয়ে তাকেও আবার জেলে পাঠানোর হুমকি দিচ্ছেন।অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, মোঃ গোলাম কবির পূর্বে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মুন্সিখানায় পেশকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই সময় বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারীদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ঘুষ গ্রহণের কিছু স্থিরচিত্র সাংবাদিকরা সংগ্রহ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এছাড়া নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে গোলাম কবির দীর্ঘ ১০ মাস তার কর্মস্থল থেকে সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখায় প্রেষনে হিসেবে যোগদান করেছেন।নাসিমা আক্তার বলেন পেশকার মোঃ গোলাম কবির কে বিশ্বাস করিয়া তাকে জামিন করার উদ্দেশ্যে কবির  তাহার স্বামী মোস্তফার কাছে এক লক্ষ টাকা চাইলে, স্বামী তাহার উপর বিশ্বাস করিয়া এবং স্ত্রীকে নাছিমাকে দ্রুত জেলখানা হইতে বাহির করার জন্য তাহাকে নগদ ৮০ হাজার টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে পেশকার আরো ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন সে টাকা দিতে অশকৃতি প্রদান করিলে পেশকার তার স্ত্রী নাসিমেকে জামিনে মুক্তি না করিয়া তাহাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করা বন্ধ করে  দেয় 

অভিযোগকারী আরও বলেন, গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার প্রভাবের কারণে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না। কারও বিরুদ্ধে কিছু বললে তিনি মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেন। তার কথায় যাকে-তাকে মামলা দেওয়া হয়, যাকে-তাকে জেলে পাঠানো হয় বলেও অভিযোগ করেন নাছিমা আক্তার।অভিযোগকারী জানান, গোলাম কবিরের কথিত অনিয়মের প্রমাণ হিসেবে কয়েকটি ছবি এবং সি.আর মামলা নং- ৮৩৫/২০২৬ এর সার্টিফায়েড কপি আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।নাছিমা আক্তার বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ গোলাম কবির এবং সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সংবাদে প্রকাশ করা হবে।


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মামলা তুলে না নিলে স্বামী-স্ত্রীকে জেলে পাঠানোর হুমকি: আদালত কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ
0:00 0:00
1.0x