ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
GTV

কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে জটিলতা


প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে জটিলতা

কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে জটিলতা
নিজস্ব প্রতিবেদক
কাপড়ের এলসি করে পণ্য সরবরাহের কথা বলে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, টাকা নেওয়ার পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো কাপড় সরবরাহ না করে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা করতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে পাওনা টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগীকে প্রায় ৩ কোটি টাকার একটি চেক দেওয়া হলেও সেটিও কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।
ভুক্তভোগীর দাবি, টাকা ও পণ্য—কোনোটিই না দিয়ে পরবর্তীতে শহিদুল ইসলাম তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাদীর আরও অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।
অভিযোগকারীর ভাষ্য, শহিদুল ইসলাম এককভাবে নয়, একটি সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আইনগতভাবে তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকার পরও তিনি কীভাবে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে যাচ্ছেন—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারী দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
[9/4/2026 10:27 PM] মোঃ সাইফুল ইসলাম: ভুয়া কম্পিউটার সনদে চাকরির অভিযোগ, যাচাইয়ে মিলল না রেজিস্ট্রেশন—এখনও মাদ্রাসায় কর্মরত অভিযুক্ত উদয় শঙ্কর রায়


নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসার কম্পিউটার শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি—নেকটার, বগুড়ায় সনদটি যাচাই করা হলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। যাচাই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তের নামে ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো রেজিস্ট্রেশনই পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে ঐ ব্যক্তি বগুড়ায় অবস্থিত SIT Foundation থেকে পূর্ববর্তী তারিখ দেখিয়ে একটি সনদ নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে যোগাযোগ শুরু করেছেন।
নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের বালাপাড়া দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসায় বর্তমানে তিনি কর্মরত রয়েছেন।
অভিযোগ, নিয়োগের সময় তিনি জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি—নেকটার, বগুড়া থেকে নেওয়া একটি কম্পিউটার সনদ ব্যবহার করেন।অভিযুক্ত ব্যকৃতির বক্তব্য অনুযায়ী
সনদটিতে নাম দেওয়া হয়—Uday Sarkar Ray, পিতা Bhabesh Chandra Ray।
সিরিয়াল নম্বর ১৭০৮১ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১৭৪৩৭।তিনি বলেন তার নাম উদয় শঙ্কর রায়।এখানেই বড় প্রশ্ন তাহলে উদয় সরকারের সনদ দিয়ে কি তাহলে তিনি সেই চাকরি গ্রহন করেন অর্থাৎ অন্য ব্যক্তির সনদে তার চাকরি হয়েছে।সনদটির সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে উঠে আসে এমন ভিন্ন চিত্র।
জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি—নেকটার, এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী উপস্থাপিত সনদের তথ্য যাচাই করে ওই সিরিয়াল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের কোনো শিক্ষার্থীর তথ্য প্রতিষ্ঠানটির রেজিস্টারে পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, উপস্থাপিত সনদটি জাল ও ভুয়া মর্মে প্রতীয়মান এবং এটি সরকারি-বেসরকারি নিয়োগ, এমপিওভুক্তি কিংবা অন্য কোনো অফিসিয়াল কাজে গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে চাপ তৈরি হলে পরবর্তীতে বগুড়ায় অবস্থিত SIT Foundation-এর সনদ নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে যোগাযোগ শুরু করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।
অভিযোগকারীদের দাবি, নেকটার থেকে নেওয়া মূল সনদে থাকা তথ্য স্ক্যান করে পরবর্তীতে নাম, সিরিয়াল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বসিয়ে সনদটি ব্যবহারের উপযোগী করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে আর বিস্তারিত জানতে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।
প্রশ্ন উঠেছে—একটি সনদ যদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রারে অস্তিত্বহীন হয়, তাহলে সেটি ব্যবহার করে কীভাবে চাকরিতে নিয়োগ হলো?
আর ভুয়া সনদ ব্যবহারের অভিযোগ প্রমাণিত হলে, এর দায় শুধু সনদ ব্যবহারকারীর, নাকি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদেরও—সেটিও এখন খতিয়ে দেখার বিষয়।
বর্তমানে অভিযুক্ত উদয় সরকার রায় নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের বালাপাড়া দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসায় কর্মরত রয়েছেন উদয় শঙ্কর নামে বলে তুলে ধরেন তিনি।
ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগের এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি।

GTV

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে জটিলতা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে জটিলতা
নিজস্ব প্রতিবেদক
কাপড়ের এলসি করে পণ্য সরবরাহের কথা বলে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, টাকা নেওয়ার পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো কাপড় সরবরাহ না করে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা করতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে পাওনা টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগীকে প্রায় ৩ কোটি টাকার একটি চেক দেওয়া হলেও সেটিও কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।
ভুক্তভোগীর দাবি, টাকা ও পণ্য—কোনোটিই না দিয়ে পরবর্তীতে শহিদুল ইসলাম তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাদীর আরও অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন।
অভিযোগকারীর ভাষ্য, শহিদুল ইসলাম এককভাবে নয়, একটি সংঘবদ্ধ প্রতারকচক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আইনগতভাবে তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে, শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকার পরও তিনি কীভাবে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে যাচ্ছেন—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারী দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
[9/4/2026 10:27 PM] মোঃ সাইফুল ইসলাম: ভুয়া কম্পিউটার সনদে চাকরির অভিযোগ, যাচাইয়ে মিলল না রেজিস্ট্রেশন—এখনও মাদ্রাসায় কর্মরত অভিযুক্ত উদয় শঙ্কর রায়


নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসার কম্পিউটার শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি—নেকটার, বগুড়ায় সনদটি যাচাই করা হলে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। যাচাই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তের নামে ওই প্রতিষ্ঠানের কোনো রেজিস্ট্রেশনই পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে ঐ ব্যক্তি বগুড়ায় অবস্থিত SIT Foundation থেকে পূর্ববর্তী তারিখ দেখিয়ে একটি সনদ নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে যোগাযোগ শুরু করেছেন।
নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের বালাপাড়া দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসায় বর্তমানে তিনি কর্মরত রয়েছেন।
অভিযোগ, নিয়োগের সময় তিনি জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি—নেকটার, বগুড়া থেকে নেওয়া একটি কম্পিউটার সনদ ব্যবহার করেন।অভিযুক্ত ব্যকৃতির বক্তব্য অনুযায়ী
সনদটিতে নাম দেওয়া হয়—Uday Sarkar Ray, পিতা Bhabesh Chandra Ray।
সিরিয়াল নম্বর ১৭০৮১ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ১৭৪৩৭।তিনি বলেন তার নাম উদয় শঙ্কর রায়।এখানেই বড় প্রশ্ন তাহলে উদয় সরকারের সনদ দিয়ে কি তাহলে তিনি সেই চাকরি গ্রহন করেন অর্থাৎ অন্য ব্যক্তির সনদে তার চাকরি হয়েছে।সনদটির সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে উঠে আসে এমন ভিন্ন চিত্র।
জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি—নেকটার, এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী উপস্থাপিত সনদের তথ্য যাচাই করে ওই সিরিয়াল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের কোনো শিক্ষার্থীর তথ্য প্রতিষ্ঠানটির রেজিস্টারে পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, উপস্থাপিত সনদটি জাল ও ভুয়া মর্মে প্রতীয়মান এবং এটি সরকারি-বেসরকারি নিয়োগ, এমপিওভুক্তি কিংবা অন্য কোনো অফিসিয়াল কাজে গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে চাপ তৈরি হলে পরবর্তীতে বগুড়ায় অবস্থিত SIT Foundation-এর সনদ নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে যোগাযোগ শুরু করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।
অভিযোগকারীদের দাবি, নেকটার থেকে নেওয়া মূল সনদে থাকা তথ্য স্ক্যান করে পরবর্তীতে নাম, সিরিয়াল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বসিয়ে সনদটি ব্যবহারের উপযোগী করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে আর বিস্তারিত জানতে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।
প্রশ্ন উঠেছে—একটি সনদ যদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রারে অস্তিত্বহীন হয়, তাহলে সেটি ব্যবহার করে কীভাবে চাকরিতে নিয়োগ হলো?
আর ভুয়া সনদ ব্যবহারের অভিযোগ প্রমাণিত হলে, এর দায় শুধু সনদ ব্যবহারকারীর, নাকি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদেরও—সেটিও এখন খতিয়ে দেখার বিষয়।
বর্তমানে অভিযুক্ত উদয় সরকার রায় নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের বালাপাড়া দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসায় কর্মরত রয়েছেন উদয় শঙ্কর নামে বলে তুলে ধরেন তিনি।
ভুয়া সনদে চাকরির অভিযোগের এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা এখন সময়ের দাবি।


GTV

শেখ তিতুমীর - চেয়ারম্যান-জাতীয় অনলাইন প্রেস কাউন্সিল(কেন্দ্রীয় পরিষদ) বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট-(স্থায়ী কমিটির সদস্য) সাবেক বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল-(সদস্য) সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি বাংলাদেশ ক্রাইম ২৪ নির্বাহী কর্মকর্তা: ড.আকাশ শীল (সাংবাদিকতায় সম্মানসূচক ডক্টর ডিগ্রী প্রাপ্ত.American Merit Council প্রকাশক: আকাশ শীল সম্পাদক: শিব শংকর সহ- সম্পাদক: লিজা আক্তার হেড এডিটর:শাহিনুর রহমান দপ্তর সম্পাদক: সুমা আক্তার
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে জটিলতা
0:00 0:00
1.0x